ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর–পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যয়ের সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 37

জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বড় কয়েকটি অবকাঠামো প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেল এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানো গেলে সামগ্রিকভাবে আরও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব হতো বলে মনে করা যায়।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জোর দেন পেশাদারিত্ব, মানবিকতা ও জবাবদিহিতার ওপর। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে অপরাধকে ব্যক্তিগত দায় হিসেবে দেখতে হবে।

তার মতে, পুলিশই রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, তাই বাহিনীর আচরণ সরাসরি জনমনে সরকারের ভাবমূর্তি প্রভাবিত করে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতাকেই প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরা হবে। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা বাড়লে একটি নিরাপদ ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ আরও এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রূপপুর–পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যয়ের সমালোচনা প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বড় কয়েকটি অবকাঠামো প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেল এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়ানো গেলে সামগ্রিকভাবে আরও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব হতো বলে মনে করা যায়।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জোর দেন পেশাদারিত্ব, মানবিকতা ও জবাবদিহিতার ওপর। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে অপরাধকে ব্যক্তিগত দায় হিসেবে দেখতে হবে।

তার মতে, পুলিশই রাষ্ট্রের প্রশাসনিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, তাই বাহিনীর আচরণ সরাসরি জনমনে সরকারের ভাবমূর্তি প্রভাবিত করে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতাকেই প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরা হবে। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা বাড়লে একটি নিরাপদ ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ আরও এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন।