ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 9

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও আইনি সহায়তা এক ছাতার নিচে দিতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় তিনি এ তথ্য জানান। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সেবাগুলো একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় এনে সহজলভ্য করাই সরকারের লক্ষ্য। প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অন্তত ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে।

তিনি জানান, এসব কেন্দ্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবা একসঙ্গে দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ব্যবস্থাও করা হবে।

ফারজানা শারমীন বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা জোরদারে একটি ‘মাস্টার সার্ভিস সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লিগ্যাল এইড সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা সহজে আইনি সহায়তা পান।

অভিভাবকদের জন্যও আয়ের সুযোগ রাখার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্তানকে কেন্দ্রে রেখে অপেক্ষার সময় অভিভাবকরা আয়মূলক কাজে যুক্ত হতে পারবেন। এ সময় শিশুদের চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে একজন করে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের আহ্বানও জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করবে সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও আইনি সহায়তা এক ছাতার নিচে দিতে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধীদের অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় তিনি এ তথ্য জানান। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সেবাগুলো একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় এনে সহজলভ্য করাই সরকারের লক্ষ্য। প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অন্তত ১০টি জেলা বা উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে।

তিনি জানান, এসব কেন্দ্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবা একসঙ্গে দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ব্যবস্থাও করা হবে।

ফারজানা শারমীন বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা জোরদারে একটি ‘মাস্টার সার্ভিস সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক লিগ্যাল এইড সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা সহজে আইনি সহায়তা পান।

অভিভাবকদের জন্যও আয়ের সুযোগ রাখার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্তানকে কেন্দ্রে রেখে অপেক্ষার সময় অভিভাবকরা আয়মূলক কাজে যুক্ত হতে পারবেন। এ সময় শিশুদের চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপিস্ট ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য। এ উদ্দেশ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে একজন করে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণের আহ্বানও জানান তিনি।