ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচ শিক্ষকের স্কুলে শিক্ষার্থী ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 18

নীলফামারীর ডিমলার খালিশা চাপানির কাকিনা শিশু বিকাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী উপস্থিতি নেমে এসেছে হাতে গোনা কয়েকজনে। শনিবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয়ে মোট তিনজন শিক্ষার্থীর দেখা মিলে।

এর মধ্যে, পঞ্চম শ্রেণিতে মাত্র দুজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে একজন শিক্ষক পাঠদান করছেন। পাশের চতুর্থ শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থী থাকলেও সেখানে কোনো শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না। তৃতীয় শ্রেণির কক্ষ ছিল সম্পূর্ণ ফাঁকা। একই সময়ে পাশের একটি কক্ষে একজন শিক্ষককে বসে খাবার খেতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।

এ সময় প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে শিক্ষকেরা তড়িঘড়ি করে হাজিরা খাতা পূরণ করতে শুরু করেন।

বিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, মোট শিক্ষার্থী ৭২ জন। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে না। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় অভিভাবক আব্দুল করিম বলেন, স্কুলে ঠিকমতো ক্লাস হয় না। তাই বাচ্চাদের পাঠাতে আগ্রহ পাই না।

এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাঁচ শিক্ষকের স্কুলে শিক্ষার্থী ৩

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলার খালিশা চাপানির কাকিনা শিশু বিকাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী উপস্থিতি নেমে এসেছে হাতে গোনা কয়েকজনে। শনিবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয়ে মোট তিনজন শিক্ষার্থীর দেখা মিলে।

এর মধ্যে, পঞ্চম শ্রেণিতে মাত্র দুজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে একজন শিক্ষক পাঠদান করছেন। পাশের চতুর্থ শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থী থাকলেও সেখানে কোনো শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না। তৃতীয় শ্রেণির কক্ষ ছিল সম্পূর্ণ ফাঁকা। একই সময়ে পাশের একটি কক্ষে একজন শিক্ষককে বসে খাবার খেতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।

এ সময় প্রাক-প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে শিক্ষকেরা তড়িঘড়ি করে হাজিরা খাতা পূরণ করতে শুরু করেন।

বিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, মোট শিক্ষার্থী ৭২ জন। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকে না। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় অভিভাবক আব্দুল করিম বলেন, স্কুলে ঠিকমতো ক্লাস হয় না। তাই বাচ্চাদের পাঠাতে আগ্রহ পাই না।

এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।