ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই বছরের মধ্যে প্রাথমিকে দক্ষ শিক্ষক নিশ্চিত করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 25

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের পর কোনো প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না।

একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম সংস্কার, শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সরকারি বিদ্যালয়গুলোকে ধাপে ধাপে এক শিফটে পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং ২০২৮ সালের পর কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবেন না।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আইইউবি ও বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে দক্ষ শিক্ষক, সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম এবং শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। শেখার প্রক্রিয়াকে শিশুদের কাছে আনন্দদায়ক করে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে শিশুকেই রাখতে হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগোচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে অযাচিত প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষকদের আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি ছাড়া শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব নয়। সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ না থাকলে শিক্ষাব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা কঠিন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ধাপে ধাপে এক শিফটে পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তার মতে, দুই শিফট ব্যবস্থার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই পর্যায়ক্রমে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এক শিফটের আওতায় আনা হবে।

অনুষ্ঠানে আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিমের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ এবং আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুই বছরের মধ্যে প্রাথমিকে দক্ষ শিক্ষক নিশ্চিত করবে সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের পর কোনো প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না।

একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়নে কারিকুলাম সংস্কার, শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সরকারি বিদ্যালয়গুলোকে ধাপে ধাপে এক শিফটে পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে। এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং ২০২৮ সালের পর কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবেন না।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আইইউবি ও বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে দক্ষ শিক্ষক, সময়োপযোগী পাঠ্যক্রম এবং শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। শেখার প্রক্রিয়াকে শিশুদের কাছে আনন্দদায়ক করে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে শিশুকেই রাখতে হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগোচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে অযাচিত প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষকদের আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি ছাড়া শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব নয়। সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ না থাকলে শিক্ষাব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা কঠিন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ধাপে ধাপে এক শিফটে পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তার মতে, দুই শিফট ব্যবস্থার কারণে অনেক শিক্ষার্থী পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই পর্যায়ক্রমে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এক শিফটের আওতায় আনা হবে।

অনুষ্ঠানে আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিমের সভাপতিত্বে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ এবং আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।