ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার পূর্বাভাস মার্কিন সচিবের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৭:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 136

মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট

হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। ওয়াশিংটনে এক সভায় তিনি জানান, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে আগামী কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র অস্থিরতা এবং শান্তি আলোচনার ব্যর্থতাকে এই অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির নতুন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসি-তে আয়োজিত এক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম চড়া থাকবে।

ক্রিস রাইট তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, চলমান ভৌগোলিক অস্থিরতার কারণে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। তবে সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় সচল হলে দাম ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের সংঘাত বা যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে বাজারে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও ভোক্তা পর্যায়ে দাম কমতে কিছুটা সময় লাগে।”

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে তৈরি হওয়া স্নায়ুযুদ্ধ জ্বালানি বাজারের এই অনিশ্চয়তাকে আরও উসকে দিয়েছে। সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, বৈশ্বিক তেলের বাজারের এই অস্থিতিশীলতার প্রভাব বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর আমদানিনির্ভর বাজারেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ জ্বালানি রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার পূর্বাভাস মার্কিন সচিবের

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৭:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। ওয়াশিংটনে এক সভায় তিনি জানান, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে আগামী কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র অস্থিরতা এবং শান্তি আলোচনার ব্যর্থতাকে এই অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির নতুন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটন ডিসি-তে আয়োজিত এক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম চড়া থাকবে।

ক্রিস রাইট তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, চলমান ভৌগোলিক অস্থিরতার কারণে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। তবে সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় সচল হলে দাম ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের সংঘাত বা যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে বাজারে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও ভোক্তা পর্যায়ে দাম কমতে কিছুটা সময় লাগে।”

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে তৈরি হওয়া স্নায়ুযুদ্ধ জ্বালানি বাজারের এই অনিশ্চয়তাকে আরও উসকে দিয়েছে। সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, বৈশ্বিক তেলের বাজারের এই অস্থিতিশীলতার প্রভাব বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর আমদানিনির্ভর বাজারেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ জ্বালানি রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।