ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছয় মাসে বিএসএফের হাতে ১০ বাংলাদেশি নিহত: আসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 12

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সংশ্লিষ্ট অন্তত ২১টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

এসব ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি নিহত, ১০ জন আহত এবং একজন অপহরণ বা আটক হয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত আসকের সংকলিত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত ১০ জনের মধ্যে সাতজন বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। বাকি তিনজন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান।

এ ছাড়া একই সময়ে সীমান্তে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছেন। একজনকে বিএসএফ অপহরণ বা আটক করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসক জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়নি। একই সময়ে আটক বা অপহরণের পর কাউকে ফেরত দেওয়ার ঘটনাও রেকর্ড করা হয়নি।

প্রতিবেদনে ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ সীমান্তাঞ্চলের ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য সংকলন করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ছয় মাসে বিএসএফের হাতে ১০ বাংলাদেশি নিহত: আসক

সর্বশেষ আপডেট ১০:২১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ সংশ্লিষ্ট অন্তত ২১টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

এসব ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি নিহত, ১০ জন আহত এবং একজন অপহরণ বা আটক হয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত আসকের সংকলিত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত ১০ জনের মধ্যে সাতজন বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। বাকি তিনজন শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা যান।

এ ছাড়া একই সময়ে সীমান্তে সংঘটিত বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় ১০ জন আহত হয়েছেন। একজনকে বিএসএফ অপহরণ বা আটক করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসক জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে কোনো বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়নি। একই সময়ে আটক বা অপহরণের পর কাউকে ফেরত দেওয়ার ঘটনাও রেকর্ড করা হয়নি।

প্রতিবেদনে ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ সীমান্তাঞ্চলের ঘটনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য সংকলন করা হয়েছে।