ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া মাছ-মাংসের দাম

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 48

নিত্যপণ্যের বাজার

শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় রাজধানীর বাজারে কমেছে বেশ কিছু সবজির দাম। শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলার দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে টমেটো, গাজর ও কাঁচামরিচসহ কয়েকটি সবজির দাম এখনো চড়া। অন্যদিকে মাছ ও মাংসের বাজারে আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন নেই।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও উত্তরা এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আকারভেদে ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া ধুন্দল, ঝিঙা ও মেটে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।

তবে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কয়েকটি সবজি। প্রতি কেজি টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা। গোল বেগুনের দাম ৮০ টাকা কেজি। অন্য জাতের বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

এ ছাড়া দেশি শসা ৪০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ও কচুমুখি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং বরবটি, করলা ও কাঁকরোল ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। আগামী দিনগুলোতে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও মাছের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি রুই মাছ ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্প ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া কাতলা ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাবদা ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। বড় ইলিশ কোথাও কোথাও ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩৩০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ৫ নভেম্বরের খুচরা বাজারদরের প্রতিবেদনেও নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, বেগুন, ফার্মের ডিম, ছোলা, সুগন্ধি পোলাও চাল ও আমদানি করা আদার দাম কমেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া মাছ-মাংসের দাম

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় রাজধানীর বাজারে কমেছে বেশ কিছু সবজির দাম। শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলার দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে টমেটো, গাজর ও কাঁচামরিচসহ কয়েকটি সবজির দাম এখনো চড়া। অন্যদিকে মাছ ও মাংসের বাজারে আগের সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন নেই।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও উত্তরা এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আকারভেদে ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং মুলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া ধুন্দল, ঝিঙা ও মেটে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।

তবে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কয়েকটি সবজি। প্রতি কেজি টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা। গোল বেগুনের দাম ৮০ টাকা কেজি। অন্য জাতের বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

এ ছাড়া দেশি শসা ৪০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ও কচুমুখি ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং বরবটি, করলা ও কাঁকরোল ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। আগামী দিনগুলোতে সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও মাছের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি রুই মাছ ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্প ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া কাতলা ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাবদা ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের দাম এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা। বড় ইলিশ কোথাও কোথাও ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩৩০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ৫ নভেম্বরের খুচরা বাজারদরের প্রতিবেদনেও নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, বেগুন, ফার্মের ডিম, ছোলা, সুগন্ধি পোলাও চাল ও আমদানি করা আদার দাম কমেছে।