ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা
নেতারা পাশাপাশি বসেন, আর মাঠের কর্মীরা চোখ হারায়
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:২০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 16
রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও সেই সংস্কৃতি মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হয় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তাঁর ভাষ্য, শীর্ষ নেতারা পরস্পরের সঙ্গে সৌজন্য বজায় রাখলেও রাজনৈতিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মাঠের কর্মীরাই।
বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তাসনিম জারা লেখেন, দিনের দুটি দৃশ্য তাঁর নজরে এসেছে। প্রথমটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মান জানিয়ে মঞ্চে নিজের পাশে বসান। দ্বিতীয়টিতে একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে সৃষ্ট হট্টগোলের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নাম ধরে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে মঞ্চে ডাকেন। পরে আখতার হোসেন মঞ্চে উঠে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে সৌহার্দ্যের অভাব নেই। তাঁরা একে অপরকে নাম ধরে ডাকতে পারেন, পাশাপাশি বসতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে একসঙ্গে পরিস্থিতি সামালও দেন।
এরপর তিনি হবিগঞ্জে রাজনৈতিক সংঘর্ষে আহত এনসিপি কর্মী আলিফ চৌধুরীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে ১৮ বছর বয়সী আলিফ তাঁর বাঁ চোখের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। অথচ শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকই রয়েছে। তাঁর ভাষায়, রাতে নেতারা ক্ষমতার টেবিলে পাশাপাশি বসেন, দীর্ঘ সময় ফোনে কথা বলেন; কিন্তু সেই রাজনীতির মূল্য দিতে হয় মাঠের কর্মীদের।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে ফেরার পথে হামলার শিকার হন দলটির কর্মী ও জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক আলিফ চৌধুরী। এনসিপির অভিযোগ, এ হামলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন। হামলায় আলিফের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে এবং পরে তিনি ওই চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।































