ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানে বিশ্ব নেতাদের শ্রদ্ধা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / 13

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তেহরানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

শুক্রবার ভোরে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়ার প্রথম পর্ব শুরু হয়। তার মরদেহ প্রধান প্রার্থনা কক্ষে রাখা হয়েছে, যেখানে দুই দিন ধরে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবেন।

রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় পণ্ডিত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং ইরানের স্বীকৃত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরানে উপস্থিত হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খামেনির কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি সীমিত পরিসরের বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দল-মত, ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সব নাগরিককে জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সরকার ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার ও রোববার সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার তেহরানে মূল জানাজা ও শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ কোম, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানে বিশ্ব নেতাদের শ্রদ্ধা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তেহরানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

শুক্রবার ভোরে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়ার প্রথম পর্ব শুরু হয়। তার মরদেহ প্রধান প্রার্থনা কক্ষে রাখা হয়েছে, যেখানে দুই দিন ধরে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবেন।

রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় পণ্ডিত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং ইরানের স্বীকৃত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরানে উপস্থিত হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খামেনির কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি সীমিত পরিসরের বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় দল-মত, ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সব নাগরিককে জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সরকার ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার ও রোববার সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সোমবার তেহরানে মূল জানাজা ও শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ কোম, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই মাশহাদে দাফন করা হবে।