ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফের বেশি দামে কেনা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের গম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 41

ফাইল ফটো

আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম তুলনামূলক কম থাকলেও এবারও বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম কিনতে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই চালান মিলিয়ে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৫২ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।

বুধবার (১ জুলাই) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ধারাবাহিকভাবে গম আমদানি করছে বাংলাদেশ। এর আগে চারটি চালানে দেশটি থেকে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গম এসেছে। চলতি বছরও একই ব্যবস্থায় আরও কয়েক দফায় গম আমদানি করা হয়েছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিয়মিত রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, আর্জেন্টিনা ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গম সংগ্রহ করে থাকে। এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারদর, গমের মান এবং সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় সরবরাহকারী নির্বাচন করা হয়।

তবে সর্বশেষ এই ক্রয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গমের দাম আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বেশি হওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে- বাজারে কম দামে গম পাওয়া গেলেও কেন বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই কিনছে সরকার?

যদিও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান জি-টু-জি চুক্তির আওতায় সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাম নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফের বেশি দামে কেনা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের গম

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম তুলনামূলক কম থাকলেও এবারও বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম কিনতে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর থেকে আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই চালান মিলিয়ে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৫২ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।

বুধবার (১ জুলাই) সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ধারাবাহিকভাবে গম আমদানি করছে বাংলাদেশ। এর আগে চারটি চালানে দেশটি থেকে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গম এসেছে। চলতি বছরও একই ব্যবস্থায় আরও কয়েক দফায় গম আমদানি করা হয়েছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিয়মিত রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, আর্জেন্টিনা ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গম সংগ্রহ করে থাকে। এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারদর, গমের মান এবং সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় সরবরাহকারী নির্বাচন করা হয়।

তবে সর্বশেষ এই ক্রয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গমের দাম আন্তর্জাতিক বাজারদরের তুলনায় বেশি হওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে- বাজারে কম দামে গম পাওয়া গেলেও কেন বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই কিনছে সরকার?

যদিও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান জি-টু-জি চুক্তির আওতায় সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাম নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।