২৮ জুন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন, ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ৩৫ লাখ শিশু
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / 165
দীর্ঘ ১৪ মাস পর আবারও দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। আগামী ২৮ জুন একদিনে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটির বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
শিশুদের অপুষ্টি ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে আগামী ২৮ জুন দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এবারের ক্যাম্পেইনে মোট ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৮ লাখ ৩৯ হাজার শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে।
কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, বাসস্ট্যান্ড ও রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে, যাতে কোনো শিশু সেবার বাইরে না থাকে।
দুর্গম এলাকার শিশুদের আওতায় আনতে ১২ জেলার ৫৮ উপজেলার ২৯০ ইউনিয়নের ৭১৪টি ওয়ার্ডে মূল ক্যাম্পেইনের পর অতিরিক্ত চার দিন অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন জাতীয় এই কর্মসূচি। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বছরে দুইবার এই কর্মসূচি আয়োজনের নিয়ম থাকলেও ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের সংকটের কারণে গত বছরের মার্চের পর আর ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রায় ১৪ মাস বিরতির পর আবারও এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমায় এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাসেও সহায়তা করে।
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ বলেছে, ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে।


































