ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 29

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

রাজনৈতিক চাপ, দলীয় অস্থিরতা এবং জনসমর্থনের ধারাবাহিক পতনের মধ্যেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানান, যা ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

লেবার পার্টির এই নেতা সোমবার (২২ জুন) ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জনসমক্ষে এসে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সেখানে উপস্থিত সমর্থকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসের মাঝেও তার কণ্ঠে ছিল এক ধরনের সংযত স্বীকারোক্তি, যেন রাজনৈতিক বাস্তবতার চাপই তাকে এ সিদ্ধান্তে ঠেলে দিয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ ক্রমেই বাড়ছিল। বিশেষ করে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম একটি পার্লামেন্টারি উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আবার হাউস অব কমন্সে ফেরার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এই ফলাফল লেবার পার্টির ভেতরে নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা তীব্র করে তোলে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমার ২০২৪ সালের নির্বাচনে যে স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা পূরণে তিনি পুরোপুরি সফল হননি। দায়িত্ব নেওয়ার দুই বছরের আগেই তার সরে দাঁড়ানো সেই প্রতিশ্রুতিকে অসম্পূর্ণ রেখেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে তার পদত্যাগের ফলে দলীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এতে যুক্তরাজ্য খুব শিগগিরই নতুন নেতৃত্বের অধীনে যেতে পারে, যা গত এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রীর দেখা পাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৭:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক চাপ, দলীয় অস্থিরতা এবং জনসমর্থনের ধারাবাহিক পতনের মধ্যেই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানান, যা ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

লেবার পার্টির এই নেতা সোমবার (২২ জুন) ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে জনসমক্ষে এসে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সেখানে উপস্থিত সমর্থকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসের মাঝেও তার কণ্ঠে ছিল এক ধরনের সংযত স্বীকারোক্তি, যেন রাজনৈতিক বাস্তবতার চাপই তাকে এ সিদ্ধান্তে ঠেলে দিয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ ক্রমেই বাড়ছিল। বিশেষ করে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম একটি পার্লামেন্টারি উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে আবার হাউস অব কমন্সে ফেরার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এই ফলাফল লেবার পার্টির ভেতরে নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা তীব্র করে তোলে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমার ২০২৪ সালের নির্বাচনে যে স্থিতিশীলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা পূরণে তিনি পুরোপুরি সফল হননি। দায়িত্ব নেওয়ার দুই বছরের আগেই তার সরে দাঁড়ানো সেই প্রতিশ্রুতিকে অসম্পূর্ণ রেখেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে তার পদত্যাগের ফলে দলীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এতে যুক্তরাজ্য খুব শিগগিরই নতুন নেতৃত্বের অধীনে যেতে পারে, যা গত এক দশকে সপ্তম প্রধানমন্ত্রীর দেখা পাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করছে।