ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কোনো রাজনীতি নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 6

ফাইল ছবি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা ঘিরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবকে জায়গা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দ্রুত নতুন পরিচালনা কাঠামো গঠনের প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার (২২ জুন) জানান, একটি বড় ব্যাংকের ভেতরের অস্থিরতা শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং পুরো ব্যাংক খাতের আস্থার ওপর এর প্রভাব পড়ে। সেই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। তারা ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তনের দাবি তুলে ধরেন এবং বলেন, বিতর্কিত সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কাউকে বোর্ডে রাখা উচিত নয়।

আন্দোলনকারীরা আরও দাবি করেন, আগের মালিকানা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বহাল করা প্রয়োজন। তাদের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয়, অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ার কথাও বলা হয়।

এর আগে ১৬ জুন তারা গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে দ্রুত পর্ষদ পুনর্গঠনের আহ্বান জানায়। চলমান পরিস্থিতির সূত্রপাত হয় জুনের শুরুতে, যখন চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু হয়। পরে ১৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে দেয়।

বর্তমানে ব্যাংকটির সামগ্রিক দায়িত্ব সাময়িকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালকের হাতে রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে কোনো রাজনীতি নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা ঘিরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবকে জায়গা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দ্রুত নতুন পরিচালনা কাঠামো গঠনের প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার (২২ জুন) জানান, একটি বড় ব্যাংকের ভেতরের অস্থিরতা শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং পুরো ব্যাংক খাতের আস্থার ওপর এর প্রভাব পড়ে। সেই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। তারা ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তনের দাবি তুলে ধরেন এবং বলেন, বিতর্কিত সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কাউকে বোর্ডে রাখা উচিত নয়।

আন্দোলনকারীরা আরও দাবি করেন, আগের মালিকানা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বহাল করা প্রয়োজন। তাদের পক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয়, অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ার কথাও বলা হয়।

এর আগে ১৬ জুন তারা গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে দ্রুত পর্ষদ পুনর্গঠনের আহ্বান জানায়। চলমান পরিস্থিতির সূত্রপাত হয় জুনের শুরুতে, যখন চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু হয়। পরে ১৩ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে দেয়।

বর্তমানে ব্যাংকটির সামগ্রিক দায়িত্ব সাময়িকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালকের হাতে রয়েছে।