ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে মাকে হত্যা, মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 18

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বৃদ্ধা মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে তারই ছেলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘরের মেঝে খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামে গর্ভধারিণী মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছেলে জুয়েলের বিরুদ্ধে।

নিহত মারুফা বেগম ওই গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত জুয়েলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে।

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, মরদেহের মাথার সামনের বাম পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই দিন আগে মাথায় আঘাত করে মারুফা বেগমকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গোপন করতে ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা হয়।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত জুয়েল পলাতক রয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী হাসি বেগম ও ছেলে গোলাম রাব্বীকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নীলফামারীতে মাকে হত্যা, মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বৃদ্ধা মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে তারই ছেলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘরের মেঝে খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা ময়দানপাড়া গ্রামে গর্ভধারিণী মাকে হত্যার পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে ছেলে জুয়েলের বিরুদ্ধে।

নিহত মারুফা বেগম ওই গ্রামের মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত জুয়েলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে।

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, মরদেহের মাথার সামনের বাম পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই দিন আগে মাথায় আঘাত করে মারুফা বেগমকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গোপন করতে ঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা হয়।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত জুয়েল পলাতক রয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রী হাসি বেগম ও ছেলে গোলাম রাব্বীকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।