ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হজ ফ্লাইটে সৌদিতে ৪০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি, মৃত্যু ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 37

চলতি বছরের হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে ১০১টি ফ্লাইটে ৪০ হাজার ৫৯০ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এরই মধ্যে সাতজন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, যা হজ বুলেটিনে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হজ অফিসের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, যাত্রী পরিবহন কার্যক্রম এখনো ধাপে ধাপে চলছে। মক্কায় পাঁচজন এবং মদিনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার দিকটিও আলাদাভাবে নজরে রাখা হচ্ছে—সৌদি মেডিকেল টিম সরাসরি ৬ হাজার ৮৩২ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে, আর আইটি হেল্পডেস্কের সহায়তায় চিকিৎসা পেয়েছেন আরও ৮ হাজার ৮৩০ জন।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। পুরো ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ৬৬০টি এজেন্সি—সংখ্যার দিক থেকে বড় হলেও বাস্তবে এই সমন্বয় কতটা কার্যকর থাকে, তা নিয়ে প্রতি বছরই কিছু প্রশ্ন ওঠে।

এয়ারলাইন্সভিত্তিক পরিসংখ্যানে বোঝা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস—এই তিন সংস্থাই মূল চাপ সামলাচ্ছে। এখনো প্রায় ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী পর্যায়ক্রমে সৌদি আরবে পৌঁছাবেন।

হজযাত্রা শুরু হয়েছিল ১৭ এপ্রিল রাতে, যখন প্রথম ফ্লাইটটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতাই এখন চলছে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন—সংখ্যার এই বৈষম্য ব্যবস্থাপনার ধরন নিয়েও কিছুটা ইঙ্গিত দেয়। ইতোমধ্যে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস ৭৮ হাজার ৩৪৬টি ভিসা ইস্যু করেছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে, আর শেষ ফ্লাইট ঢাকায় ফিরবে ৩০ জুন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হজ ফ্লাইটে সৌদিতে ৪০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি, মৃত্যু ৭

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

চলতি বছরের হজ মৌসুমে ইতোমধ্যে ১০১টি ফ্লাইটে ৪০ হাজার ৫৯০ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এরই মধ্যে সাতজন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, যা হজ বুলেটিনে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হজ অফিসের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, যাত্রী পরিবহন কার্যক্রম এখনো ধাপে ধাপে চলছে। মক্কায় পাঁচজন এবং মদিনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার দিকটিও আলাদাভাবে নজরে রাখা হচ্ছে—সৌদি মেডিকেল টিম সরাসরি ৬ হাজার ৮৩২ জনকে চিকিৎসা দিয়েছে, আর আইটি হেল্পডেস্কের সহায়তায় চিকিৎসা পেয়েছেন আরও ৮ হাজার ৮৩০ জন।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। পুরো ব্যবস্থাপনায় রয়েছে ৬৬০টি এজেন্সি—সংখ্যার দিক থেকে বড় হলেও বাস্তবে এই সমন্বয় কতটা কার্যকর থাকে, তা নিয়ে প্রতি বছরই কিছু প্রশ্ন ওঠে।

এয়ারলাইন্সভিত্তিক পরিসংখ্যানে বোঝা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাস—এই তিন সংস্থাই মূল চাপ সামলাচ্ছে। এখনো প্রায় ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী পর্যায়ক্রমে সৌদি আরবে পৌঁছাবেন।

হজযাত্রা শুরু হয়েছিল ১৭ এপ্রিল রাতে, যখন প্রথম ফ্লাইটটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতাই এখন চলছে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালন করবেন—সংখ্যার এই বৈষম্য ব্যবস্থাপনার ধরন নিয়েও কিছুটা ইঙ্গিত দেয়। ইতোমধ্যে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস ৭৮ হাজার ৩৪৬টি ভিসা ইস্যু করেছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে, আর শেষ ফ্লাইট ঢাকায় ফিরবে ৩০ জুন।