ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন ১৭৩ আইনজীবীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 22

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির ১৭৩ জন সদস্য। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তারা এ উদ্যোগের কথা জানান।

আইনজীবীরা দাবি করেন, সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল–২০২৬’-এর মাধ্যমে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা তাদের মতে সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদসহ মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া একটি রাজনৈতিক শক্তিকে যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নিষিদ্ধ করা হয়েছে—যা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মৌলিক ধারণার পরিপন্থী বলে তারা মনে করছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যেহেতু নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির (ICCPR) স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র, তাই এ ধরনের আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্য তৈরি করতে পারে।

আইনজীবীরা জানান, বিষয়টি শুধু অভ্যন্তরীণ আইনগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং এর প্রভাব আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটেই তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন, যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর পর্যালোচনা সম্ভব হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতিসংঘে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন ১৭৩ আইনজীবীর

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির ১৭৩ জন সদস্য। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তারা এ উদ্যোগের কথা জানান।

আইনজীবীরা দাবি করেন, সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) বিল–২০২৬’-এর মাধ্যমে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা তাদের মতে সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদসহ মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া একটি রাজনৈতিক শক্তিকে যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নিষিদ্ধ করা হয়েছে—যা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের মৌলিক ধারণার পরিপন্থী বলে তারা মনে করছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যেহেতু নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির (ICCPR) স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র, তাই এ ধরনের আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্য তৈরি করতে পারে।

আইনজীবীরা জানান, বিষয়টি শুধু অভ্যন্তরীণ আইনগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং এর প্রভাব আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটেই তারা জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন, যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর পর্যালোচনা সম্ভব হয়।