ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তনু হত্যা মামলায় এক দশক পর গ্রেপ্তার-১

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 28

প্রায় এক দশক ধরে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবশেষে প্রথমবারের মতো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২০১৬ সালের এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এ পর্যন্ত চারটি সংস্থা এবং সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির দায়িত্ব পালন করলেও প্রকৃত অপরাধী শনাক্তের প্রশ্নে অগ্রগতি ছিল সীমিত।

আদালতে অন্তত ৮০ বার শুনানির তারিখ পড়লেও কার্যকর কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নেন। ওই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায়ই এ গ্রেপ্তার।

গ্রেপ্তারের দিন বিকেলে তনুর পরিবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি না দেখে তাদের মধ্যে যেমন ক্লান্তি ছিল, তেমনি নতুন করে কিছুটা আশার সঞ্চারও দেখা গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রিমান্ডে পাওয়া তথ্য ও ডিএনএ পরীক্ষার ফল মিলিয়ে মামলার জট কিছুটা হলেও খুলতে পারে। তবে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এখনো আরও প্রমাণ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তনু হত্যা মামলায় এক দশক পর গ্রেপ্তার-১

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

প্রায় এক দশক ধরে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবশেষে প্রথমবারের মতো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

বুধবার কুমিল্লায় অভিযান চালিয়ে সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২০১৬ সালের এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এ পর্যন্ত চারটি সংস্থা এবং সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটির দায়িত্ব পালন করলেও প্রকৃত অপরাধী শনাক্তের প্রশ্নে অগ্রগতি ছিল সীমিত।

আদালতে অন্তত ৮০ বার শুনানির তারিখ পড়লেও কার্যকর কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

চলতি বছরের ৬ এপ্রিল মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নেন। ওই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায়ই এ গ্রেপ্তার।

গ্রেপ্তারের দিন বিকেলে তনুর পরিবার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি না দেখে তাদের মধ্যে যেমন ক্লান্তি ছিল, তেমনি নতুন করে কিছুটা আশার সঞ্চারও দেখা গেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রিমান্ডে পাওয়া তথ্য ও ডিএনএ পরীক্ষার ফল মিলিয়ে মামলার জট কিছুটা হলেও খুলতে পারে। তবে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এখনো আরও প্রমাণ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।