ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ইস্যুতে বদিউল আলমের আপিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 20

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। ছবি: সংগৃহীত

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত আইন ও এর বিলুপ্তি ঘিরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন সুজন সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ড. বদিউল আলম মজুমদার।

জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই তিনি এ আপিল দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের হাইকোর্টের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে সরকার সেই অনুযায়ী অধ্যাদেশ জারি করে সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করে।

তবে ২০২৬ সালে নবনির্বাচিত সরকার সেই সচিবালয় বিলুপ্ত করে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করলে পুরো কাঠামো আবারও পরিবর্তিত হয়। এতে বাজেট, প্রকল্প ও পদসমূহ আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।

ড. মজুমদার তার আপিলে বলেন, এই পুরো প্রক্রিয়ায় সংবিধান ব্যাখ্যা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন জড়িত রয়েছে, যার চূড়ান্ত মীমাংসা প্রয়োজন।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হিসেবে পূর্বাবস্থার স্থিতাবস্থা বজায় রাখা এবং বিলুপ্তি আইনের কিছু ধারা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

আইনের নির্দিষ্ট ধারাগুলোতে সচিবালয় বিলুপ্তি, বাজেট ও প্রকল্প হস্তান্তর এবং পদ বিলুপ্তির বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে কিছু প্রশাসনিক কাঠামো ও কার্যক্রম আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে পরিচালনার বিধানও রাখা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ইস্যুতে বদিউল আলমের আপিল

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত আইন ও এর বিলুপ্তি ঘিরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন সুজন সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ড. বদিউল আলম মজুমদার।

জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই তিনি এ আপিল দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের হাইকোর্টের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে সরকার সেই অনুযায়ী অধ্যাদেশ জারি করে সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করে।

তবে ২০২৬ সালে নবনির্বাচিত সরকার সেই সচিবালয় বিলুপ্ত করে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করলে পুরো কাঠামো আবারও পরিবর্তিত হয়। এতে বাজেট, প্রকল্প ও পদসমূহ আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।

ড. মজুমদার তার আপিলে বলেন, এই পুরো প্রক্রিয়ায় সংবিধান ব্যাখ্যা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রশ্ন জড়িত রয়েছে, যার চূড়ান্ত মীমাংসা প্রয়োজন।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হিসেবে পূর্বাবস্থার স্থিতাবস্থা বজায় রাখা এবং বিলুপ্তি আইনের কিছু ধারা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

আইনের নির্দিষ্ট ধারাগুলোতে সচিবালয় বিলুপ্তি, বাজেট ও প্রকল্প হস্তান্তর এবং পদ বিলুপ্তির বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে কিছু প্রশাসনিক কাঠামো ও কার্যক্রম আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে পরিচালনার বিধানও রাখা হয়েছে।