ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের ৫ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 19

নির্বাচনি ইশতেহারের ভিত্তিতে আগামী পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সংসদের অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র, সুশাসন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দুর্নীতি দমন, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা খাতেও উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন খাতে একাধিক বৃহৎ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর মধ্যে নদী ও খাল খনন, কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কার্ডভিত্তিক সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ভাতা, ক্রীড়াবিদদের জন্য সুবিধা, এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া কৃষিঋণে সুদ মওকুফ, শহর ও গ্রামে খেলার মাঠ উন্নয়ন, ই-হেলথ সেবার সম্প্রসারণ, সরকারি নিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয় বিকেল ৩টায়। প্রথম ৩০ মিনিট সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সরকারের ৫ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনায় যা আছে

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নির্বাচনি ইশতেহারের ভিত্তিতে আগামী পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সংসদের অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র, সুশাসন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দুর্নীতি দমন, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা খাতেও উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন খাতে একাধিক বৃহৎ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর মধ্যে নদী ও খাল খনন, কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কার্ডভিত্তিক সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ভাতা, ক্রীড়াবিদদের জন্য সুবিধা, এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত।

এ ছাড়া কৃষিঋণে সুদ মওকুফ, শহর ও গ্রামে খেলার মাঠ উন্নয়ন, ই-হেলথ সেবার সম্প্রসারণ, সরকারি নিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয় বিকেল ৩টায়। প্রথম ৩০ মিনিট সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।