টানেল থেকে
১০ দিন পর চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 7
নেপালের ত্রিশূলী-১ (২১৬ মেগাওয়াট) জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অডিট-৪ টানেল থেকে এক চীনা নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নেপালের সেনাবাহিনী ও দক্ষিণ কোরিয়ার দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা ওই টানেল থেকে তাকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধার করা ব্যক্তিকে নুয়াকোটের ত্রিশূলীতে অবস্থিত মৈথিল ব্যারাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বন্যার ১১তম দিনে তাকে টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার করা হলো।
এর আগে নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের নয় দিন পর একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। টানেলের ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর পাওয়ার পর উদ্ধারকারীরা অভিযান জোরদার করেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নেপালের মধ্যাঞ্চলের ত্রিশূলী নদী করিডরে অবস্থিত ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি টানেল থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন প্রকল্পটির যান্ত্রিক ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ এবং যান্ত্রিক সুপারভাইজার কবির মহার্জন।
গত ২৬ আগস্ট ত্রিশূলী নদী করিডর বন্যার পানিতে প্লাবিত হলে প্রকল্পটির ভূগর্ভস্থ অংশে আটকা পড়েন তারা। এরপর টানা নয় দিন সেখানে অবস্থান করেন দুজন।
তাদের টানেলে আটকে পড়ার ঘটনাও ছিল ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। ৩০ বছর বয়সী সঞ্জয় সাহ ওই সময় প্রকল্পের নিয়ন্ত্রণকক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হঠাৎ ভূগর্ভস্থ অংশে বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করলে কর্মীরা দ্রুত বের হওয়ার চেষ্টা করেন।
উদ্ধারের পর সঞ্জয় জানান, সেদিন প্রকল্প এলাকায় স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সংখ্যক কর্মী ছিলেন। তিনি প্রথমে সহকর্মীদের নিরাপদে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। অন্যদের বের হতে সহযোগিতা করতে গিয়ে একপর্যায়ে নিজের বের হওয়ার সুযোগ হারান।
সঞ্জয়ের ভাষ্য, সহকর্মীদের নিরাপদে বাইরে পাঠানোর পর তিনি আর টানেল থেকে বের হতে পারেননি। সেখানে আটকা থাকার পুরো সময় তিনি প্রার্থনা করতেন।
তিনি আরও জানান, তিনি যে স্থানে আটকা পড়েছিলেন, টানেলের আরও গভীরে অন্য লোকজনও আটকা পড়ে থাকতে পারেন।
নয় দিন পর টানেলের ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পান উদ্ধারকারীরা। এরপর সেখানে অভিযান জোরদার করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত সঞ্জয় সাহ ও কবির মহার্জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
































