ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ কোটি টাকার অভিযোগে এমপি হাসনাতের ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • / 93

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাবে ফেসবুক লাইভে এসে ১০ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রায় ৪৩ মিনিটের এই লাইভে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং জনসাধারণের জন্য সব তথ্যই উন্মুক্ত রয়েছে।

ফেসবুকের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে রোববার (৩১ মে) দিবাগত রাতে লাইভে আসেন কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) এই নেতা। তিনি বলেন, রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝেই একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মন্তব্য করেছেন বলে তার ধারণা। তার ভাষায়, এসব অর্থ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ, ব্যক্তিগতভাবে এর সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততার সুযোগ নেই।

হাসনাত আরও জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রশাসকের বক্তব্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যেন অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, যা তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

তার দাবি, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেবীদ্বারে এডিপি সাধারণ, বিশেষ এবং রাজস্ব মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা ১৪৮টি খাতে ছড়িয়ে রয়েছে। তার ভাষায়, “এক টাকা কম-বেশি হয়নি। কিন্তু এখনো কোনো প্রকল্প পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি, এসব তথ্য অনলাইনেই যাচাই করা সম্ভব।”

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের ‘১০ কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার’ বক্তব্যের পর দুই দিন ধরে একটি বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে। তার মতে, বিষয়টি জনসমক্ষে খোলামেলা থাকলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

হাসনাত বলেন, “যারা প্রপাগান্ডা করেছেন, একটু সার্চ করলেই সব তথ্য পাওয়া যায়—কোন খাতে কত টাকা গেছে, কোন প্রক্রিয়ায় গেছে, সবই স্পষ্ট।” তিনি আরও জানান, তার ‘জবাবদিহিতা’ পেজে নিয়মিতভাবে এসব বাজেট সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

তার মন্তব্য, সবার হাতে ইন্টারনেট থাকায় তথ্য যাচাই করা এখন সহজ, ফলে এ ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াকে তিনি দুঃখজনক মনে করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১০ কোটি টাকার অভিযোগে এমপি হাসনাতের ব্যাখ্যা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাবে ফেসবুক লাইভে এসে ১০ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রায় ৪৩ মিনিটের এই লাইভে তিনি দাবি করেন, বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং জনসাধারণের জন্য সব তথ্যই উন্মুক্ত রয়েছে।

ফেসবুকের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে রোববার (৩১ মে) দিবাগত রাতে লাইভে আসেন কুমিল্লা-৪ আসনের (দেবীদ্বার) এই নেতা। তিনি বলেন, রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝেই একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মন্তব্য করেছেন বলে তার ধারণা। তার ভাষায়, এসব অর্থ প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ, ব্যক্তিগতভাবে এর সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততার সুযোগ নেই।

হাসনাত আরও জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রশাসকের বক্তব্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যেন অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে, যা তিনি পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

তার দাবি, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেবীদ্বারে এডিপি সাধারণ, বিশেষ এবং রাজস্ব মিলিয়ে মোট ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা ১৪৮টি খাতে ছড়িয়ে রয়েছে। তার ভাষায়, “এক টাকা কম-বেশি হয়নি। কিন্তু এখনো কোনো প্রকল্প পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি, এসব তথ্য অনলাইনেই যাচাই করা সম্ভব।”

তিনি অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের ‘১০ কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার’ বক্তব্যের পর দুই দিন ধরে একটি বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে। তার মতে, বিষয়টি জনসমক্ষে খোলামেলা থাকলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

হাসনাত বলেন, “যারা প্রপাগান্ডা করেছেন, একটু সার্চ করলেই সব তথ্য পাওয়া যায়—কোন খাতে কত টাকা গেছে, কোন প্রক্রিয়ায় গেছে, সবই স্পষ্ট।” তিনি আরও জানান, তার ‘জবাবদিহিতা’ পেজে নিয়মিতভাবে এসব বাজেট সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

তার মন্তব্য, সবার হাতে ইন্টারনেট থাকায় তথ্য যাচাই করা এখন সহজ, ফলে এ ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াকে তিনি দুঃখজনক মনে করেন।