ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুথি বিদ্রোহীরা হুমকি দিল ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • / 156

ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইয়েমেনের হুথি (আনসার আল্লাহ মুভমেন্ট) বিদ্রোহীরা ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়েছে।

তারা জানিয়েছে, ইরানে চলমান ইসরায়েল-মার্কিন সামরিক অভিযানের সমর্থন দেওয়া হলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করা হবে।

শনিবার হুথি সামরিক কর্মকর্তা আবেদ আল-থাওর জানান, ইরানে স্থল সামরিক হস্তক্ষেপ হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাণিজ্যিক জাহাজ, যুদ্ধজাহাজ এবং বিমানবাহী নৌযান এই নৌ অবরোধের আওতায় আসবে।

হুথিরা ইসরায়েলের বন্দরের দিকে যাওয়া সকল জাহাজের জন্য প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরিকল্পনাও করছে।

এ সময় স্মরণযোগ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালায়।

হামলায় ইরানের বড় শহরগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় এবং অন্তত ১,৩০০ জন নিহত হন, যার মধ্যে রয়েছে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। স্কুলে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৮ স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি, দেশটিতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হুথি বিদ্রোহীরা হুমকি দিল ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধের

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইয়েমেনের হুথি (আনসার আল্লাহ মুভমেন্ট) বিদ্রোহীরা ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়েছে।

তারা জানিয়েছে, ইরানে চলমান ইসরায়েল-মার্কিন সামরিক অভিযানের সমর্থন দেওয়া হলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করা হবে।

শনিবার হুথি সামরিক কর্মকর্তা আবেদ আল-থাওর জানান, ইরানে স্থল সামরিক হস্তক্ষেপ হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাণিজ্যিক জাহাজ, যুদ্ধজাহাজ এবং বিমানবাহী নৌযান এই নৌ অবরোধের আওতায় আসবে।

হুথিরা ইসরায়েলের বন্দরের দিকে যাওয়া সকল জাহাজের জন্য প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করার পরিকল্পনাও করছে।

এ সময় স্মরণযোগ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালায়।

হামলায় ইরানের বড় শহরগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় এবং অন্তত ১,৩০০ জন নিহত হন, যার মধ্যে রয়েছে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। স্কুলে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৮ স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি, দেশটিতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।