ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম আক্রান্ত ৭৪% শিশু টিকাবিহীন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 3

দেশে হামের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭৪ শতাংশই হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নেয়নি। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, আক্রান্তদের আরেকটি অংশ—প্রায় ১৪ শতাংশ শিশু—শুধু একটি ডোজ টিকা পেয়েছিল, যা পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে পারেনি।

তিনি জানান, বর্তমানে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি ছিল, বিশেষ করে চিহ্নিত ৩০টি উপজেলায়, সেখানে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার পর পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে ঝুঁকি পুরোপুরি কেটে যায়নি বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তার মতে, হামে আক্রান্ত শিশুদের অকারণে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা উচিত নয়, কারণ প্রতিটি হাসপাতালে পৃথক চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির জন্য নতুন টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

একই সংবাদ সম্মেলনে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মহাপরিচালক। তিনি জানান, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাম আক্রান্ত ৭৪% শিশু টিকাবিহীন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭৪ শতাংশই হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নেয়নি। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি বলেন, আক্রান্তদের আরেকটি অংশ—প্রায় ১৪ শতাংশ শিশু—শুধু একটি ডোজ টিকা পেয়েছিল, যা পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে পারেনি।

তিনি জানান, বর্তমানে যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি ছিল, বিশেষ করে চিহ্নিত ৩০টি উপজেলায়, সেখানে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার পর পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে ঝুঁকি পুরোপুরি কেটে যায়নি বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তার মতে, হামে আক্রান্ত শিশুদের অকারণে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা উচিত নয়, কারণ প্রতিটি হাসপাতালে পৃথক চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির জন্য নতুন টিকার চালান দেশে পৌঁছাবে, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

একই সংবাদ সম্মেলনে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মহাপরিচালক। তিনি জানান, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।