ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের ৮ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 13

দেশজুড়ে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের আটটি বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাওয়া একটি সতর্কবার্তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো হুমকির প্রমাণ মেলেনি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানান, বিমানবন্দরগুলো স্বাভাবিকভাবেই কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকে।

তবে নতুন করে পাওয়া সতর্কতার কারণে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এটি মূলত নিয়মিত নিরাপত্তা প্রক্রিয়ারই একটি অংশ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়।

সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠির পরপরই বিমানবন্দরগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, টার্মিনাল এলাকা এবং কার্গো জোনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পোশাকধারী বাহিনীর পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নিরাপত্তা সদস্যদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বেবিচকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, যেসব বিমানবন্দরে রাতের ফ্লাইট নেই, সেখানেও রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়াই মূল লক্ষ্য, যদিও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট হুমকির তথ্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলা পরিকল্পনা নিয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে পর্যবেক্ষণ আরও নিবিড় করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যে সম্প্রতি কয়েকজন সন্দেহভাজনের যোগাযোগ এবং তৎপরতার ইঙ্গিত পাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়, যা জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আগেই নেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা জোরদার করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া, যা যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগেই সক্রিয় করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দেশের ৮ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের আটটি বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাওয়া একটি সতর্কবার্তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো হুমকির প্রমাণ মেলেনি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কুর্মিটোলায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানান, বিমানবন্দরগুলো স্বাভাবিকভাবেই কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকে।

তবে নতুন করে পাওয়া সতর্কতার কারণে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়ানো হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এটি মূলত নিয়মিত নিরাপত্তা প্রক্রিয়ারই একটি অংশ, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়।

সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠির পরপরই বিমানবন্দরগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ, টার্মিনাল এলাকা এবং কার্গো জোনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পোশাকধারী বাহিনীর পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নিরাপত্তা সদস্যদের উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বেবিচকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, যেসব বিমানবন্দরে রাতের ফ্লাইট নেই, সেখানেও রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়াই মূল লক্ষ্য, যদিও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট হুমকির তথ্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলা পরিকল্পনা নিয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে পর্যবেক্ষণ আরও নিবিড় করা হয়েছে।

গোয়েন্দা তথ্যে সম্প্রতি কয়েকজন সন্দেহভাজনের যোগাযোগ এবং তৎপরতার ইঙ্গিত পাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়, যা জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আগেই নেওয়া হচ্ছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, নিরাপত্তা জোরদার করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া, যা যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগেই সক্রিয় করা হয়।