ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব বাবা দিবস আজ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 21

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

আজ ২১ জুন, বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পৃথিবীর কোটি কোটি সন্তান তাদের জীবনের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় ও ছাদ—‘বাবা’র প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করে থাকে। সন্তানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একজন বাবার আজীবন ত্যাগ, পরিশ্রম ও অবদানকে সম্মান জানাতেই বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়।

বাবা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা পশ্চিমা সংস্কৃতি থেকে এলেও বর্তমানে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বেই এটি অত্যন্ত আবেগ ও মর্যাদার সাথে উদযাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও আজকের দিনটি উপলক্ষে বাবাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিশেষ আলোচনা সভা, র্যালি এবং নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে সন্তানরা তাদের বাবার সাথে কাটানো সুন্দর মুহূর্তের ছবি ও স্মৃতি শেয়ার করে ভালোবাসা প্রকাশ করছেন।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে ‘সনোরা স্মার্ট ডড’ নামের এক মার্কিন নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি। ১৯০৯ সালে আমেরিকার চার্চে ‘মা দিবস’ পালনের কথা শুনে ডড অবাক হন যে, মায়েদের মতো বাবাদের ত্যাগের জন্য কেন কোনো বিশেষ দিন থাকবে না! ডডের মা অল্প বয়সেই মারা যান, এরপর তাঁর সিঙ্গেল বাবা শত দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে ডডসহ তাঁর সাত ভাইবোনকে বড় করে তোলেন। বাবার এই অসামান্য আত্মত্যাগ দেখে ডড সিদ্ধান্ত নেন, বাবাদের সম্মানেও একটি দিন উৎসর্গ করা উচিত। তাঁর দীর্ঘ এক বছরের প্রচেষ্টায় ১৯১০ সালের ১৯ জুন ওয়াশিংটনে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ পালিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব বাবা দিবস আজ

সর্বশেষ আপডেট ১০:১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আজ ২১ জুন, বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পৃথিবীর কোটি কোটি সন্তান তাদের জীবনের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় ও ছাদ—‘বাবা’র প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করে থাকে। সন্তানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একজন বাবার আজীবন ত্যাগ, পরিশ্রম ও অবদানকে সম্মান জানাতেই বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়।

বাবা দিবসের আনুষ্ঠানিকতা পশ্চিমা সংস্কৃতি থেকে এলেও বর্তমানে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বেই এটি অত্যন্ত আবেগ ও মর্যাদার সাথে উদযাপিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও আজকের দিনটি উপলক্ষে বাবাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিশেষ আলোচনা সভা, র্যালি এবং নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে সন্তানরা তাদের বাবার সাথে কাটানো সুন্দর মুহূর্তের ছবি ও স্মৃতি শেয়ার করে ভালোবাসা প্রকাশ করছেন।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে ‘সনোরা স্মার্ট ডড’ নামের এক মার্কিন নারীর অবদান সবচেয়ে বেশি। ১৯০৯ সালে আমেরিকার চার্চে ‘মা দিবস’ পালনের কথা শুনে ডড অবাক হন যে, মায়েদের মতো বাবাদের ত্যাগের জন্য কেন কোনো বিশেষ দিন থাকবে না! ডডের মা অল্প বয়সেই মারা যান, এরপর তাঁর সিঙ্গেল বাবা শত দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে ডডসহ তাঁর সাত ভাইবোনকে বড় করে তোলেন। বাবার এই অসামান্য আত্মত্যাগ দেখে ডড সিদ্ধান্ত নেন, বাবাদের সম্মানেও একটি দিন উৎসর্গ করা উচিত। তাঁর দীর্ঘ এক বছরের প্রচেষ্টায় ১৯১০ সালের ১৯ জুন ওয়াশিংটনে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ পালিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পায়।