ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাক্রমে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 13

শিক্ষার্থীদের ছবিটি প্রতিকী।

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি জাপানি, কোরীয়, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি বা জার্মানের মতো একটি তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর শেখা, ক্রীড়া-সংস্কৃতি এবং আনন্দভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ভাষা শিক্ষায় উৎসাহ দিতে সংশ্লিষ্ট দেশের উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ, মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা সম্প্রসারণের কথাও জানানো হয়।

প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক প্রযুক্তি, মিড-ডে মিল কর্মসূচি, সারা দেশে ওয়াই-ফাই সম্প্রসারণ এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিক্ষাক্রমে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি জাপানি, কোরীয়, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফরাসি বা জার্মানের মতো একটি তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর শেখা, ক্রীড়া-সংস্কৃতি এবং আনন্দভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ভাষা শিক্ষায় উৎসাহ দিতে সংশ্লিষ্ট দেশের উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ সরবরাহ, মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা সম্প্রসারণের কথাও জানানো হয়।

প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক প্রযুক্তি, মিড-ডে মিল কর্মসূচি, সারা দেশে ওয়াই-ফাই সম্প্রসারণ এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়।