ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় এক শর্টফিল্ম

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 30

রামিসা ধর্ষণ-হত্যার পর কেন আলোচনায় ১২ মিনিটের এই শর্টফিল্ম

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে শিরশ্ছেদ করে হত্যার ঘটনায় পুরো দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই পাশবিকতার জেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ২০১৫ সালের ‘দ্য ডিসাপিয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’ নামক একটি বিখ্যাত শর্টফিল্ম।

ম্যাথিউ রিচার্ডস পরিচালিত ১২ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে এক শিশু ধর্ষককে ‘প্রগ্রেসিভ অ্যামপুটেশন’ বা ধাপে ধাপে শরীরের অঙ্গ কেটে নেওয়ার এক বীভৎস ও কাল্পনিক শাস্তির গল্প দেখানো হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে নেটিজেনরা রামিসার ঘাতক সোহেল রানার জন্য ঠিক এই ধরণের পৈশাতিক শাস্তিই প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন।

সমাজে অবুজ শিশুদের ওপর বিকৃত লালসা ও পৈশাতিক হত্যার হার বেড়ে যাওয়ায় প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। খুনিদের তাৎক্ষণিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে এখন এক অভিনব মনস্তাত্ত্বিক প্রতিশোধের হাওয়া বইছে।

মূলত রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় এক শর্টফিল্ম শিরোনামের এই ঘটনাটি অপরাধীদের মনে চরম ভীতি সৃষ্টির এক প্রতীকী দাবি। অস্ট্রেলিয়ার এই শর্টফিল্মটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে মৃত্যুদণ্ড বাতিল হওয়া একটি রাষ্ট্রে ধর্ষকের ওপর ধাপে ধাপে অঙ্গচ্ছেদের নিঃসঙ্গ আইনি বর্বরতা চালানো হয়।

সিনেমাটির গল্প অনুযায়ী, উইলি বিংহাম নামের এক খুনিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের চোখের সামনে অপারেশন টেবিলে নিয়ে প্রতি মাসে হাত, পা, নাক ও কান কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় এক শর্টফিল্ম হওয়ার কারণ হলো ছবির সেই চরম দৃশ্য, যেখানে পঞ্চম অস্ত্রোপচারে অপরাধীর পুরুষত্ব কেড়ে নেওয়ার পর তার চামড়া লেজার দিয়ে পুড়িয়ে একটি জীবন্ত মাংসপিণ্ডে পরিণত করা হয়। ভুক্তভোগীর বাবা শেষ পর্যন্ত খুনিকে মরতেও দেননি, বরং তীব্র যন্ত্রণার মাঝে বাঁচিয়ে রেখে প্রতিশোধের এক অনন্য তৃপ্তি লাভ করেন।

কেভিন ডি এবং টিম ফেরিসের অনবদ্য অভিনয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি মূলত মানুষের অন্ধ প্রতিশোধপরায়ণতা ও ন্যায়বিচারের সীমানা নিয়ে দর্শকদের মনে এক গভীর প্রশ্ন ছুড়ে দেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় এক শর্টফিল্ম

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে শিরশ্ছেদ করে হত্যার ঘটনায় পুরো দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই পাশবিকতার জেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে ২০১৫ সালের ‘দ্য ডিসাপিয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’ নামক একটি বিখ্যাত শর্টফিল্ম।

ম্যাথিউ রিচার্ডস পরিচালিত ১২ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে এক শিশু ধর্ষককে ‘প্রগ্রেসিভ অ্যামপুটেশন’ বা ধাপে ধাপে শরীরের অঙ্গ কেটে নেওয়ার এক বীভৎস ও কাল্পনিক শাস্তির গল্প দেখানো হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে নেটিজেনরা রামিসার ঘাতক সোহেল রানার জন্য ঠিক এই ধরণের পৈশাতিক শাস্তিই প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন।

সমাজে অবুজ শিশুদের ওপর বিকৃত লালসা ও পৈশাতিক হত্যার হার বেড়ে যাওয়ায় প্রচলিত আইনি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। খুনিদের তাৎক্ষণিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে এখন এক অভিনব মনস্তাত্ত্বিক প্রতিশোধের হাওয়া বইছে।

মূলত রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় এক শর্টফিল্ম শিরোনামের এই ঘটনাটি অপরাধীদের মনে চরম ভীতি সৃষ্টির এক প্রতীকী দাবি। অস্ট্রেলিয়ার এই শর্টফিল্মটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে মৃত্যুদণ্ড বাতিল হওয়া একটি রাষ্ট্রে ধর্ষকের ওপর ধাপে ধাপে অঙ্গচ্ছেদের নিঃসঙ্গ আইনি বর্বরতা চালানো হয়।

সিনেমাটির গল্প অনুযায়ী, উইলি বিংহাম নামের এক খুনিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের চোখের সামনে অপারেশন টেবিলে নিয়ে প্রতি মাসে হাত, পা, নাক ও কান কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় এক শর্টফিল্ম হওয়ার কারণ হলো ছবির সেই চরম দৃশ্য, যেখানে পঞ্চম অস্ত্রোপচারে অপরাধীর পুরুষত্ব কেড়ে নেওয়ার পর তার চামড়া লেজার দিয়ে পুড়িয়ে একটি জীবন্ত মাংসপিণ্ডে পরিণত করা হয়। ভুক্তভোগীর বাবা শেষ পর্যন্ত খুনিকে মরতেও দেননি, বরং তীব্র যন্ত্রণার মাঝে বাঁচিয়ে রেখে প্রতিশোধের এক অনন্য তৃপ্তি লাভ করেন।

কেভিন ডি এবং টিম ফেরিসের অনবদ্য অভিনয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি মূলত মানুষের অন্ধ প্রতিশোধপরায়ণতা ও ন্যায়বিচারের সীমানা নিয়ে দর্শকদের মনে এক গভীর প্রশ্ন ছুড়ে দেয়।