বাংলাদেশে আর বিনিয়োগ করবেন না সালমান মুক্তাদির
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- / 55
বাংলাদেশে আর স্টুডিও পরিচালনা কিংবা নতুন করে বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির। ব্যক্তিগত জীবনের সংকট, স্টুডিও ভাঙার ঘটনা এবং বিভিন্ন অভিযোগের প্রভাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গ্যাপ’-এর বিশেষ প্রদর্শনী শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সালমান। গত শনিবার রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। ছবিটি এরই মধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে।
প্রদর্শনী শেষে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, ব্যক্তিগত সংকট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
সরকারের প্রতি কোনো বার্তা আছে কি না, জানতে চাইলে সালমান বলেন, সরকারকে কিছু বলার সুযোগ এখনো তাঁকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং আন্তরিকভাবে প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো সাড়া পাননি। তাই তাঁর মনে হয়েছে, কিছু বললেও তা শোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন সালমান। তাঁর ভাষ্য, এ বিষয়ে যাঁদের কথা বলা উচিত, তাঁরাই কথা বললে ভালো হয়। সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাঁরা কেবল পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা নিতে পারেন। তাঁদের মতামতে বাস্তবে কোনো পার্থক্য তৈরি হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বর্তমান সময় কেমন কাটছে, এমন প্রশ্নের জবাবে সালমান বলেন, তাঁরা খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। বড় একটি বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। এতে তাঁর কষ্ট ও ক্ষতি হয়েছে, তবে তা নিয়ে বসে থাকতে চান না। খারাপ সময়কে অভিযোগ না করে অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি।
তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে শ্বশুরের নাম উঠে আসার বিষয়ে সালমান বলেন, ঘটনার পর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পরিষ্কার করার সুযোগ পাননি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হলেও তা প্রমাণ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে সামনে বসিয়ে কথা বললে বিষয়টি সমাধানের সুযোগ থাকত বলেও মন্তব্য করেন।
এসব অভিযোগ একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত ভবিষ্যতে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সালমান। তাঁর মতে, সবাই এমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন না। ভিত্তিহীন অভিযোগে অনেকের সুনাম ও কর্মজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সবার জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।
স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর দেশ ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা এবং বাংলাদেশে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সালমান বলেন, বাংলাদেশে থাকার পরিকল্পনা তাঁর কখনোই ছিল না। স্টুডিও ভাঙার ঘটনার পর তিনি জানিয়েছিলেন, দেশে আর স্টুডিও পরিচালনা করবেন না। নতুন করে বাংলাদেশে কোনো বিনিয়োগও করবেন না বলে স্পষ্ট জানান এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর।































