ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের নির্দেশনায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শন

মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ নীলফামারী প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 70

সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। )

নীলফামারীতে প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালকে ঘিরে আশার আলো দেখছেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আজ সকালে নীলফামারী সদরের দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস্ এলাকায় হাসপাতালটির জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে সচিব জানান, উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতেই কৌশলগতভাবে এই মধ্যবর্তী স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবার অভাবে ভোগা এ অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য বিভাগসহ মোট চারটি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব শিগগিরই নির্মাণকাজ শুরু হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা, এর মধ্যে ৫শত শয্যা সাধারণ রোগীদের জন্য এবং বাকি ৫শত শয্যা অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

হৃদরোগ, কিডনি রোগসহ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা একই ছাদের নিচে নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের নির্দেশনায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের জায়গা পরিদর্শন

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালকে ঘিরে আশার আলো দেখছেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আজ সকালে নীলফামারী সদরের দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলস্ এলাকায় হাসপাতালটির জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে সচিব জানান, উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতেই কৌশলগতভাবে এই মধ্যবর্তী স্থানটি নির্বাচন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবার অভাবে ভোগা এ অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি হতে যাচ্ছে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য বিভাগসহ মোট চারটি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব শিগগিরই নির্মাণকাজ শুরু হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা, এর মধ্যে ৫শত শয্যা সাধারণ রোগীদের জন্য এবং বাকি ৫শত শয্যা অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

হৃদরোগ, কিডনি রোগসহ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা একই ছাদের নিচে নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী ।