ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে ৮ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক, পঞ্চগড়
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 133

ভৌগলিক অবস্থানে পঞ্চগড় হিমালয়ের একেবারে কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা বাতাসে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ করে তাপমাত্রা এক অঙ্কের ঘরে নেমে আসায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার। ফলে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

গতকাল সোমবার এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েকদিন ধরে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা। কোথাও দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। সকাল ও সন্ধ্যার পর কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। খেটে খাওয়া মানুষেরা শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না। এতে তাদের দৈনন্দিন আয় কমে গেছে এবং অনেক পরিবার খাদ্যের সংস্থান করতেও হিমশিম খাচ্ছেন। গরীব ও শীতার্ত মানুষের জন্য শীতের রাতগুলো হয়ে উঠেছে ভয়াবহ কষ্টের।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, আগামী কয়েকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কুয়াশা থাকতে পারে। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও আশঙ্কা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পঞ্চগড়ে ৮ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

ভৌগলিক অবস্থানে পঞ্চগড় হিমালয়ের একেবারে কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা বাতাসে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ করে তাপমাত্রা এক অঙ্কের ঘরে নেমে আসায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬ থেকে ৮ কিলোমিটার। ফলে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

গতকাল সোমবার এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত কয়েকদিন ধরে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা। কোথাও দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। সকাল ও সন্ধ্যার পর কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন। খেটে খাওয়া মানুষেরা শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না। এতে তাদের দৈনন্দিন আয় কমে গেছে এবং অনেক পরিবার খাদ্যের সংস্থান করতেও হিমশিম খাচ্ছেন। গরীব ও শীতার্ত মানুষের জন্য শীতের রাতগুলো হয়ে উঠেছে ভয়াবহ কষ্টের।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানান, আগামী কয়েকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় কুয়াশা থাকতে পারে। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও আশঙ্কা।