ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চোখ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 122

এবার ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা

রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল ও ক্যামেরা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর প্রথম পর্যায়ে ঢাকার ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন বা মোড়কে এই আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত সভায় এই পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। প্রধান সড়কগুলোর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় করতে ধাপে ধাপে এই আধুনিকায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে ডিএমপির সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ও প্রযুক্তির ব্যবহার:

  • পরীক্ষামূলক চালুর ইতিহাস: এর আগে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেট, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়
  • দেশীয় প্রযুক্তির বাতি: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) দেশীয় প্রযুক্তিতে এসব সিগন্যাল বাতি তৈরি করে। এই বাতিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ম্যানুয়ালিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়
  • আইন লঙ্ঘন শনাক্তকরণ: চলতি বছরের ৭ মে পরীক্ষামূলকভাবে এসব ট্রাফিক পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে ডিএমপি। এই এআইভিত্তিক ক্যামেরায় ‘সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮’ লঙ্ঘন শনাক্ত করার বিশেষ সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে

সভায় জানানো হয় যে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনো বরাদ্দ বা বিশেষ তহবিলের প্রয়োজন হবে না, পুলিশের নিজস্ব তহবিল থেকেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। তবে সিগন্যাল স্থাপনের এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। পুরো ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এবং কার্যক্রমটি সমন্বয় করছে সড়ক পরিবহন ও সেতুন্ত্রণায়ের অধীন ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।

পুলিশ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, আইন লঙ্ঘন সহজে শনাক্ত করা এবং যান চলাচল ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে এই এআই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চোখ

সর্বশেষ আপডেট ০২:০২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল ও ক্যামেরা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর প্রথম পর্যায়ে ঢাকার ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন বা মোড়কে এই আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সংক্রান্ত সভায় এই পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। প্রধান সড়কগুলোর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় করতে ধাপে ধাপে এই আধুনিকায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে ডিএমপির সঙ্গে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

পরীক্ষামূলক প্রয়োগ ও প্রযুক্তির ব্যবহার:

  • পরীক্ষামূলক চালুর ইতিহাস: এর আগে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেট, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়
  • দেশীয় প্রযুক্তির বাতি: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) দেশীয় প্রযুক্তিতে এসব সিগন্যাল বাতি তৈরি করে। এই বাতিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ম্যানুয়ালিও নিয়ন্ত্রণ করা যায়
  • আইন লঙ্ঘন শনাক্তকরণ: চলতি বছরের ৭ মে পরীক্ষামূলকভাবে এসব ট্রাফিক পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করে ডিএমপি। এই এআইভিত্তিক ক্যামেরায় ‘সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮’ লঙ্ঘন শনাক্ত করার বিশেষ সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে

সভায় জানানো হয় যে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনো বরাদ্দ বা বিশেষ তহবিলের প্রয়োজন হবে না, পুলিশের নিজস্ব তহবিল থেকেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। তবে সিগন্যাল স্থাপনের এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। পুরো ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ এবং কার্যক্রমটি সমন্বয় করছে সড়ক পরিবহন ও সেতুন্ত্রণায়ের অধীন ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।

পুলিশ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের পরিবহণ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, আইন লঙ্ঘন সহজে শনাক্ত করা এবং যান চলাচল ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে এই এআই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।