ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 189

চলতি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় বাংলাদেশের সামনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল পরবর্তী আসর নিয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত স্বস্তির খবরই পেল টাইগাররা।  আইসিসির নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, বাছাইপর্ব ছাড়াই ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ।

নিরাপত্তা উদ্বেগকে কেন্দ্র করে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল। আইপিএল থেকে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির পর ভারত সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এতে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, পরবর্তী বিশ্বকাপে জায়গা পেতে হয়তো বাছাইপর্ব খেলতে হতে পারে দলটিকে।

তবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগেই বিষয়টি পরিষ্কার করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটির নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।

আইসিসির নীতিমালা বলছে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে খেলা আট দল, স্বাগতিক দুই দেশ এবং র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে আরও দুই দল সরাসরি পরবর্তী আসরে জায়গা নিশ্চিত করবে। সেই হিসেবে এবারের বিশ্বকাপের সুপার এইটে ওঠা ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে ২০২৮ আসরের টিকিট নিশ্চিত করেছে। স্বাগতিক হওয়ায় অস্ট্রেলিয়াও সরাসরি খেলবে।

নিউজিল্যান্ড সুপার এইটে জায়গা করে নেওয়ায় র‍্যাঙ্কিং থেকে অতিরিক্ত তিনটি দলের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী সেই তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড।

আইসিসি জানিয়েছে, ৯ মার্চের আগে এই তিন দলের কোনো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নির্ধারিত নেই। ফলে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনাও নেই। এ কারণে ১০ম, ১১তম ও ১২তম স্থানে থাকা দল হিসেবে তারা সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

অন্যদিকে বাকি আটটি দল নির্ধারিত আঞ্চলিক বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেবে। এর মধ্যে আমেরিকা অঞ্চল থেকে একটি, ইউরোপ থেকে দুটি, আফ্রিকা থেকে দুটি এবং এশিয়া-ইস্ট প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে তিনটি দল মূল পর্বে অংশ নেবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলতি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় বাংলাদেশের সামনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল পরবর্তী আসর নিয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত স্বস্তির খবরই পেল টাইগাররা।  আইসিসির নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, বাছাইপর্ব ছাড়াই ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ।

নিরাপত্তা উদ্বেগকে কেন্দ্র করে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল। আইপিএল থেকে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির পর ভারত সফরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এতে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, পরবর্তী বিশ্বকাপে জায়গা পেতে হয়তো বাছাইপর্ব খেলতে হতে পারে দলটিকে।

তবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগেই বিষয়টি পরিষ্কার করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সংস্থাটির নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।

আইসিসির নীতিমালা বলছে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে খেলা আট দল, স্বাগতিক দুই দেশ এবং র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে আরও দুই দল সরাসরি পরবর্তী আসরে জায়গা নিশ্চিত করবে। সেই হিসেবে এবারের বিশ্বকাপের সুপার এইটে ওঠা ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে ২০২৮ আসরের টিকিট নিশ্চিত করেছে। স্বাগতিক হওয়ায় অস্ট্রেলিয়াও সরাসরি খেলবে।

নিউজিল্যান্ড সুপার এইটে জায়গা করে নেওয়ায় র‍্যাঙ্কিং থেকে অতিরিক্ত তিনটি দলের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী সেই তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড।

আইসিসি জানিয়েছে, ৯ মার্চের আগে এই তিন দলের কোনো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নির্ধারিত নেই। ফলে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনাও নেই। এ কারণে ১০ম, ১১তম ও ১২তম স্থানে থাকা দল হিসেবে তারা সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

অন্যদিকে বাকি আটটি দল নির্ধারিত আঞ্চলিক বাছাইপর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেবে। এর মধ্যে আমেরিকা অঞ্চল থেকে একটি, ইউরোপ থেকে দুটি, আফ্রিকা থেকে দুটি এবং এশিয়া-ইস্ট প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে তিনটি দল মূল পর্বে অংশ নেবে।