ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 181

সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ—সুদসহ—মওকুফ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ। শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেওয়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।

উদ্দেশ্য—দরিদ্র কৃষকদের আর্থিক চাপ কমানো এবং কৃষি খাতের ভিত্তি কিছুটা হলেও শক্ত করা। যদিও এই পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে কী প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের গতি ও তদারকির ওপর।

তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর হিসাব বলছে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে কৃষকদের সুদসহ মোট পাওনা প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা (২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত)। এই অর্থই মওকুফের আওতায় আসবে।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের জন্য তাৎক্ষণিক স্বস্তি এলেও ব্যাংকিং খাতে এর আর্থিক ভার কীভাবে সামলানো হবে—সেটিও নজরে রাখা জরুরি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ—সুদসহ—মওকুফ করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ। শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেওয়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।

উদ্দেশ্য—দরিদ্র কৃষকদের আর্থিক চাপ কমানো এবং কৃষি খাতের ভিত্তি কিছুটা হলেও শক্ত করা। যদিও এই পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে কী প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের গতি ও তদারকির ওপর।

তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক-এর হিসাব বলছে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে কৃষকদের সুদসহ মোট পাওনা প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা (২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত)। এই অর্থই মওকুফের আওতায় আসবে।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের জন্য তাৎক্ষণিক স্বস্তি এলেও ব্যাংকিং খাতে এর আর্থিক ভার কীভাবে সামলানো হবে—সেটিও নজরে রাখা জরুরি।