ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি জানালেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 5

তিস্তা ব্যারেজ। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা ও নাব্যতা পুনরুদ্ধারে একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো তৈরির কাজ এগোচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য দেন। তিনি তিস্তা নদীর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি নদী, যেখানে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহের বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যায়।

সরকারপ্রধান আরও জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমীক্ষা অনুযায়ী প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিংয়ের সুপারিশ করা হয়েছে। গাইবান্ধা-১ এলাকার অংশও এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে প্রকল্পটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দাখিল করা সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই চলছে বলে জানান তিনি। এসব মূল্যায়ন শেষ হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার অগ্রগতি জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা ও নাব্যতা পুনরুদ্ধারে একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো তৈরির কাজ এগোচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য দেন। তিনি তিস্তা নদীর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি নদী, যেখানে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহের বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যায়।

সরকারপ্রধান আরও জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমীক্ষা অনুযায়ী প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিংয়ের সুপারিশ করা হয়েছে। গাইবান্ধা-১ এলাকার অংশও এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে প্রকল্পটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। দাখিল করা সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে যাচাই-বাছাই চলছে বলে জানান তিনি। এসব মূল্যায়ন শেষ হলে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে।