ইরাকে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর ওপর যুক্তরাষ্ট্র-সৌদির বিমান হামলা
- সর্বশেষ আপডেট ১২:২১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / 5
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে পূর্ব ইরাকে যৌথভাবে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। বুধবার ভোরে এক বিবৃতিতে এ দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। খবর শাফাক নিউজ এজেন্সির।
সেন্টকমের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান পূর্ব ইরাকের বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রভান্ডার ও সরবরাহকেন্দ্রে নির্ভুল হামলা চালায়। গত ৭২ ঘণ্টায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পরিচালিত ৩০টির বেশি ড্রোন হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু কোন প্রদেশে ছিল, সে বিষয়ে সেন্টকম নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেয়নি।
অন্যদিকে, একটি নিরাপত্তা সূত্র শাফাক নিউজকে জানিয়েছে, বসরা, বাবিল, কারবালা ও নিনেভা প্রদেশের কয়েকটি স্থাপনার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
সেন্টকম আরও দাবি করেছে, তাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে চালানো হামলাগুলো লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে আইআরজিসি ও তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র আরও সামরিক পদক্ষেপ নেবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্থাপনার ওপর ৬০০টির বেশি হামলার চেষ্টা চালিয়েছে।
এদিকে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে সেন্টকমের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়েছে। সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ থাকা ইরাকভিত্তিক মিলিশিয়াদের অবস্থান লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।
সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না, তবে দেশের ভূখণ্ডে যেকোনো হামলার জবাব দেবে।
সোমবারও সৌদি আরব একই গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে তেল স্থাপনায় হামলার অভিযোগ তোলে। তবে ইরান-ঘনিষ্ঠ ইরাকি সশস্ত্র জোট ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আলী ফালেহ আল-জাইদি।































