ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা মামলার রায় তিন মাসে কার্যকর: আইন মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 89

পল্লবীর শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিন মাসের মধ্যেই কার্যকর করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আইনমন্ত্রী রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটির বিচার দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনের প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেই রায় দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।

তিনি জানান, আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাত দিনের মধ্যে মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হবে। এরপর পেপার বুক প্রস্তুত ও শুনানি শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। আসামিরা চাইলে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন এবং সে ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া চলবে।

রবিবার সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে ৪ জুন যুক্তিতর্ক শেষে ৭ জুন রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল। মাত্র চার কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার ঘর থেকে বের হওয়ার পর তাকে কৌশলে বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা হত্যা মামলার রায় তিন মাসে কার্যকর: আইন মন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

পল্লবীর শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিন মাসের মধ্যেই কার্যকর করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আইনমন্ত্রী রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটির বিচার দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনের প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেই রায় দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।

তিনি জানান, আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাত দিনের মধ্যে মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হবে। এরপর পেপার বুক প্রস্তুত ও শুনানি শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। আসামিরা চাইলে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন এবং সে ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া চলবে।

রবিবার সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে ৪ জুন যুক্তিতর্ক শেষে ৭ জুন রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল। মাত্র চার কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

রায়ে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার ঘর থেকে বের হওয়ার পর তাকে কৌশলে বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।