ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ডের রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 166

ক্রুজেইরো ও আতলেতিকো মিনেইরো মধ্যকার ম্যাচ

ব্রাজিলের বেলো হরিজন্তেতে অনুষ্ঠিত কাম্পেওনাতো মিনেইরোর ফাইনালে গত রোববার মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রুজেইরোআতলেতিকো মিনেইরো। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জিতে শিরোপা জেতে ক্রুজেইরো।

তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় আসে মাঠের বিশৃঙ্খলা। শেষ মুহূর্তে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যার জেরে ম্যাচ শেষে মোট ২৩ জন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো হয়। ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এক ম্যাচে এত বেশি লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে অতিরিক্ত সময় চলছিল। তখনও ১-০ গোলে এগিয়ে ক্রুজেইরো। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আরেকটি আক্রমণে যায় তারা। সেই আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে গোলরক্ষক এভারসনের সঙ্গে ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ানের ধাক্কাধাক্কি হয়। বল ধরতে গিয়ে এভারসনের শরীরে লেগে যায় ক্রিস্টিয়ানের পা।

ঘটনার পর মুহূর্তেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ক্ষুব্ধ হয়ে এভারসন ক্রিস্টিয়ানকে মাটিতে ফেলে দেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই দলের খেলোয়াড়রা দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ শুধু মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বেঞ্চে থাকা ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের সদস্যরাও তাতে জড়িয়ে পড়েন। কয়েক মিনিট ধরে কিল-ঘুসি ও ধাক্কাধাক্কিতে মাঠের পরিবেশ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে মিলিটারি পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয় এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের আলাদা করা হয়।

ঘটনার সময় রেফারি কাউকে কার্ড না দেখালেও ম্যাচ শেষে তার প্রতিবেদনে ২৩ জনকে লাল কার্ড দেখানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে ক্রুজেইরোর ১২ জন এবং আতলেতিকো মিনেইরোর ১১ জন ফুটবলার ছিলেন।

এর আগে ১৯৫৪ সালে পোর্তুগেসা ও বোটাফোগোর একটি ম্যাচে ২২টি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল, যা এতদিন ব্রাজিলের ফুটবলে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছিল। দীর্ঘ সাত দশক পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি হলো এই ফাইনালে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এক ম্যাচে ২৩ লাল কার্ডের রেকর্ড

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ব্রাজিলের বেলো হরিজন্তেতে অনুষ্ঠিত কাম্পেওনাতো মিনেইরোর ফাইনালে গত রোববার মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রুজেইরোআতলেতিকো মিনেইরো। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জিতে শিরোপা জেতে ক্রুজেইরো।

তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় আসে মাঠের বিশৃঙ্খলা। শেষ মুহূর্তে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যার জেরে ম্যাচ শেষে মোট ২৩ জন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো হয়। ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এক ম্যাচে এত বেশি লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে অতিরিক্ত সময় চলছিল। তখনও ১-০ গোলে এগিয়ে ক্রুজেইরো। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে আরেকটি আক্রমণে যায় তারা। সেই আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে গোলরক্ষক এভারসনের সঙ্গে ক্রুজেইরোর মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ানের ধাক্কাধাক্কি হয়। বল ধরতে গিয়ে এভারসনের শরীরে লেগে যায় ক্রিস্টিয়ানের পা।

ঘটনার পর মুহূর্তেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ক্ষুব্ধ হয়ে এভারসন ক্রিস্টিয়ানকে মাটিতে ফেলে দেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই দলের খেলোয়াড়রা দ্রুত সেখানে জড়ো হয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ শুধু মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বেঞ্চে থাকা ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের সদস্যরাও তাতে জড়িয়ে পড়েন। কয়েক মিনিট ধরে কিল-ঘুসি ও ধাক্কাধাক্কিতে মাঠের পরিবেশ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে মিলিটারি পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয় এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের আলাদা করা হয়।

ঘটনার সময় রেফারি কাউকে কার্ড না দেখালেও ম্যাচ শেষে তার প্রতিবেদনে ২৩ জনকে লাল কার্ড দেখানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে ক্রুজেইরোর ১২ জন এবং আতলেতিকো মিনেইরোর ১১ জন ফুটবলার ছিলেন।

এর আগে ১৯৫৪ সালে পোর্তুগেসা ও বোটাফোগোর একটি ম্যাচে ২২টি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল, যা এতদিন ব্রাজিলের ফুটবলে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছিল। দীর্ঘ সাত দশক পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি হলো এই ফাইনালে।