ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামলার শঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 26

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা জানান তিনি। ইশরাকের ভাষ্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলাকালে একদল ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসে। এ সময় নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে তাঁরা আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নেন।

বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন বলেন, গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে আসছেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এ সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, গত জুনে মাদক-সংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি পরিদর্শন করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভাও করেন। মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং জনবলসংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট থানাকে আধাসরকারি পত্র দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব উদ্যোগ এখনও বাস্তবায়নাধীন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তে নাগরিকদের অংশগ্রহণে সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি ওই এলাকায় যান। সেখানে পৌঁছে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে অভিযান চালানো হয়।

ইশরাকের দাবি, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হামলার শঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা জানান তিনি। ইশরাকের ভাষ্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলাকালে একদল ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসে। এ সময় নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে তাঁরা আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নেন।

বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন বলেন, গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে আসছেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এ সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, গত জুনে মাদক-সংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি পরিদর্শন করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভাও করেন। মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং জনবলসংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট থানাকে আধাসরকারি পত্র দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব উদ্যোগ এখনও বাস্তবায়নাধীন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তে নাগরিকদের অংশগ্রহণে সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি ওই এলাকায় যান। সেখানে পৌঁছে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে অভিযান চালানো হয়।

ইশরাকের দাবি, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।