হিন্দুস্তান টাইমসকে সাক্ষাৎকার
দেশে ফিরতে অনুমতির প্রয়োজন নেই: শেখ হাসিনা
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 443
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতায় ফেরার জন্য নয়, দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে এবং যথাসময়ে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও প্রবেশপথ জানাবেন। এমনকি দেশে ফিরতে সরকারের অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এটিই তাঁর প্রথম টেলিফোন সাক্ষাৎকার। বর্তমানে তিনি ভারতের একটি অজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে তাঁর প্রত্যাবর্তন কোনোভাবেই ক্ষমতার বিষয় নয়। দেশের মানুষ ও বাংলাদেশের ভবিষ্যতের সঙ্গে তাঁর দায়িত্ববোধের বিষয় এটি।
প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের শর্ত হিসেবে দেখার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভারতের মাটিতে একটি আন্তর্জাতিক ফোরামে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এটি কীভাবে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য সমস্যা হতে পারে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
তিনি বলেন, তারেক রহমান ২০০৭ সালে বাংলাদেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার সময় রাজনীতি না করার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকার করেছিলেন। পরে তিনি লন্ডন থেকে রাজনীতি করেছেন এবং তাঁর মা খালেদা জিয়ার পরিবর্তে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভা ও দলীয় কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছেন। তখন তিনি যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, গ্রেপ্তার, মামলা এবং বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, এসব ঘটনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সময় শুরু হয়েছে এবং বিএনপি সরকারও তা অব্যাহত রেখেছে।
তিনি দাবি করেন, প্রতিদিনই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা, গ্রেপ্তার বা মামলা দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে ঢুকে নারী-পুরুষকে মারধর ও হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, এমন পরিস্থিতিতে তাঁর প্রত্যর্পণকে কেন শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি নিজের দেশেই ফিরতে চান এবং সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারবেন না।
তিনি আরও বলেন, সত্য বলার কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নষ্ট হয় না। বরং গণতন্ত্র ধ্বংস হলে, উগ্রবাদ বাড়লে, সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীনতায় পড়লে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়লে এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হলে দুই দেশের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তাঁর ভাষায়, একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, ভারতের নিরাপত্তা এবং দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রত্যর্পণের বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া নিজস্ব গতিতেই চলবে।
ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছা
দেশে ফেরার সময়সীমা সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ফিরতে চান। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট অনির্দিষ্টকাল চলতে দেওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে ফেরার সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও প্রবেশপথ পরে জানাবেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার পথ থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেই তিনি দেশে ফিরতে চান। তাঁর সরকারের সময়ে দেশের অর্থনীতি প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার থেকে ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছিল এবং মাথাপিছু আয় ৪৮২ ডলার থেকে ২ হাজার ৭৮৪ ডলারে পৌঁছেছিল বলে দাবি করেন তিনি।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ থাকলেও তা এখন ২ দশমিক ২২ শতাংশে নেমে গেছে। শিল্প খাতে ৫৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, দারিদ্র্য বেড়েছে, বিনিয়োগ কমেছে এবং দুই কোটির বেশি মানুষ নতুন করে বেকার হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট ফিরে এসেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এটি শুধু আওয়ামী লীগের সমস্যা নয়, বরং জাতীয় সংকট।
তিনি জানান, দেশের অনেক আওয়ামী লীগ নেতা বিদেশে অবস্থান করছেন এবং অনেকে দেশে থেকেও আত্মগোপনে আছেন। কারা কখন দেশে ফিরবেন, তা দলীয় পরামর্শ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঠিক করা হবে।

নিজের বিরুদ্ধে ৬০০টির বেশি ‘ভিত্তিহীন’ মামলা করা হয়েছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই হামলায় ২৪ জন নিহত এবং ৩০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছিলেন। তিনি নিজে বেঁচে গেলেও তাঁর অনেক সহকর্মী মারা যান। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন বলেও মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, “আমার ফিরে আসা ক্ষমতার জন্য নয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।”
আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে
আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের প্রাচীন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৪৭ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে দেশের জন্য কাজ করে এসেছে। তাঁর বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে শেখ হাসিনা বলেন, দলটি কোনো ভুল করে থাকলে জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে তার বিচার করবে। জনগণ যদি দলকে প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে সেটিই হবে সিদ্ধান্ত।
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাঁদের অনেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে যারা ২০২৪ সালের ১৫ জুলাইয়ের পর অগ্নিসংযোগ, হামলা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, তাদের অনেককে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হলেও দলটির সাংগঠনিক অস্তিত্ব ও জনসমর্থন থাকবে।
ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ
দেশে ফেরার বিষয়ে ভারত সরকার বা ঢাকার সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তাঁর নিজের এবং এটি তাঁর দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়।
ঢাকা সরকারের সঙ্গে তাঁর কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা নেই বলেও জানান তিনি।
বিএনপি, জামায়াত ও ইউনূস প্রসঙ্গে
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ও জামায়াত অতীতে একসঙ্গে নির্বাচন করেছে। তাঁর মতে, তাদের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই। মুহাম্মদ ইউনূসও তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, তাঁর সরকার সবসময় প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতে বিশ্বাসী ছিল। তাঁর বাবার দেওয়া ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’; এই নীতিই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি ছিল বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
তাঁর সরকারের সময় সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক ছিল দাবি করে তিনি বলেন, অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুযোগ তৈরি এবং শিল্পায়ন ছিল তাঁদের প্রধান লক্ষ্য।
চীনের যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে প্রশ্ন
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এবং সারের ঘাটতির মধ্যে চীন থেকে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শেখ হাসিনা।
তিনি দাবি করেন, তাঁর সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছিল এবং দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছিল। বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ হাসিনা দাবি করেন, দেশের ছয়টি সার কারখানার মধ্যে পাঁচটি গ্যাসের অভাবে বন্ধ রয়েছে। ফলে সার সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান কেনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এ প্রশ্ন বিএনপি সরকারের কাছেও করা উচিত।
তিস্তা প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে সহযোগিতার আলোচনা হয়েছিল। বর্তমান সরকার কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে বিষয়ে তাঁর কোনো মন্তব্য নেই।
‘আরেক পাকিস্তান’ প্রসঙ্গে
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ‘বাংলাদেশ আরেকটি পাকিস্তানে পরিণত হতে পারে’; এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এটি আবেগতাড়িত মন্তব্য নয়, বরং বাংলাদেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে একটি সতর্কবার্তা।
তাঁর দাবি, উগ্রবাদ, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও দুর্বল প্রতিষ্ঠান; এসবের সমন্বয় বাংলাদেশকে বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
তিনি আরও দাবি করেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের বাংলাদেশে সন্ত্রাসী সেল তৈরির চেষ্টার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ থেকে সাভার পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে একই উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব ঘটনায় প্রেসার কুকার বোমা, পাইপ বোমা, গ্রেনেড, বিস্ফোরক ও অস্ত্রের পাশাপাশি নব্য-জেএমবির সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে।
ধর্মীয় উগ্রতা ও সহিংসতা বেড়েছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার, দরগাহ, ভাস্কর্য, সাংস্কৃতিক স্থাপনা ও অসাম্প্রদায়িক প্রতীকে হামলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতা দুর্বল করা হচ্ছে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের মতো বিশেষায়িত ইউনিট ভেঙে দেওয়ার আলোচনা এবং জঙ্গিদের মুক্তি দেওয়ার মতো ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
শেখ হাসিনার দাবি, বাংলাদেশে উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক আবার নিরাপদ পরিবেশ পেলে এর প্রভাব ভারত, মিয়ানমার, বঙ্গোপসাগর, আঞ্চলিক বাণিজ্য, অভিবাসন, নৌপথ ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার ওপর পড়বে।
ভারতে কেমন আছেন
ভারতে অবস্থান সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, নিজের দেশের মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকা একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য সবচেয়ে কঠিন বিষয়। তিনি ভারতে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে অবস্থান করছেন এবং এর জন্য ভারত সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তবে তাঁর মন সবসময় বাংলাদেশে পড়ে থাকে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ হাসিনা জানান, তিনি প্রতিদিন বাংলাদেশের পরিস্থিতির খোঁজ রাখেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, নির্যাতনের শিকার পরিবার, অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং তরুণদের হতাশার বিষয়গুলোও তিনি পর্যবেক্ষণ করেন।
বাংলাদেশের মানুষের কথাই সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি মানুষের মুখ, বাংলা ভাষা, সাধারণ মানুষের বিশ্বাস এবং বাংলার মাটিকে সবচেয়ে বেশি অনুভব করেন। ভয় নয়, আশার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকেই তিনি সবচেয়ে বেশি মিস করেন।




























