ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 52

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মানববন্ধন

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছাকাছি পূর্বনির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসংলগ্ন শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে ‘জাগো শরীয়তপুর’-এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সদর, নড়িয়া, জাজিরাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শরীয়তপুরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি কৃষি গবেষণা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত নতুন স্থানটি ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াত এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট এলাকার স্বার্থের পরিবর্তে জেলার যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্থান নির্ধারণ করা উচিত।

‘জাগো শরীয়তপুর’-এর আহ্বায়ক আমিন মাহমুদ জিতু বলেন, শরীয়তপুরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের। বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগের সময় সদরসংলগ্ন কোটাপাড়া ব্রিজের ওপারে একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও আবাসনসহ সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় রেখেই ওই স্থান নির্বাচন করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, সম্প্রতি জেলা সদর থেকে দূরে ডামুড্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আলোচনা শোনা যাচ্ছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। তাই জেলা সদরের কাছাকাছি সুবিধাজনক স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধন শেষে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পূর্বনির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মানববন্ধন

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছাকাছি পূর্বনির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসংলগ্ন শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে ‘জাগো শরীয়তপুর’-এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সদর, নড়িয়া, জাজিরাসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শরীয়তপুরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি কৃষি গবেষণা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, আবাসন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত নতুন স্থানটি ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলে হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যাতায়াত এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট এলাকার স্বার্থের পরিবর্তে জেলার যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্থান নির্ধারণ করা উচিত।

‘জাগো শরীয়তপুর’-এর আহ্বায়ক আমিন মাহমুদ জিতু বলেন, শরীয়তপুরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের। বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগের সময় সদরসংলগ্ন কোটাপাড়া ব্রিজের ওপারে একটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও আবাসনসহ সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় রেখেই ওই স্থান নির্বাচন করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, সম্প্রতি জেলা সদর থেকে দূরে ডামুড্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আলোচনা শোনা যাচ্ছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। তাই জেলা সদরের কাছাকাছি সুবিধাজনক স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধন শেষে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পূর্বনির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।