ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, ৫ জেলে উদ্ধার

তারিক লিটু, খুলনা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 52

সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধ, ৫ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের সাতক্ষীরার শ্যামনগর অংশে বনদস্যু ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এ সময় দস্যুদের কবল থেকে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ ও তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের আরপাঙ্গাসিয়া নদীর কঞ্চির খাল এলাকায় মুক্তিপণের দাবিতে কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে দাদা ভাই বাহিনী।

এ তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে জিম্মি জেলেদের ফেলে দস্যুরা বনের গভীরে পালিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা অস্ত্র ও কার্তুজের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, ৫ জেলে উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দরবনের সাতক্ষীরার শ্যামনগর অংশে বনদস্যু ‘দাদা ভাই বাহিনী’র সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এ সময় দস্যুদের কবল থেকে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ ও তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের আরপাঙ্গাসিয়া নদীর কঞ্চির খাল এলাকায় মুক্তিপণের দাবিতে কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে দাদা ভাই বাহিনী।

এ তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও দোবেকী যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে জিম্মি জেলেদের ফেলে দস্যুরা বনের গভীরে পালিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা অস্ত্র ও কার্তুজের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধার হওয়া জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।