ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 27

টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মরদেহ তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। এ সময় নিহতদের স্বজন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। তবে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষক নাসরিন জাহান মুক্তার ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁর অবস্থান ও পরিণতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

মুক্তার সন্ধানে মঙ্গলবার আবারও সমন্বিত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। দুপুর ২টার দিকে রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপের দ্বিতীয় তলা থেকে একটি দেহাবশেষ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। দেহাবশেষটির গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন দেখে সেটিকে স্ত্রী মুক্তার বলে শনাক্ত করার দাবি করেছেন তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার পরই দেহাবশেষটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার জানান, ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মধ্যে মুক্তা ছিলেন না। এ কারণে তাঁর সন্ধানে নতুন করে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষটি মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরিচয় নিশ্চিত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল জানান, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ তিনি দেখেছেন। গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন দেখে সেটিকে স্ত্রীর মরদেহ বলে তাঁর ধারণা হয়েছে। তাঁর দাবি, অগ্নিকাণ্ডের সময় মুক্তা রিসোর্টের একটি কক্ষে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই বান্ধবী আগুন লাগার আগে কক্ষ থেকে বের হতে পারলেও মুক্তা ভেতরে আটকা পড়েন। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

ফয়সালের ভাষ্য, সোমবার তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেও মুক্তার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাননি। পরে স্বজনদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। মঙ্গলবার প্রশাসনের উদ্ধার অভিযানের সময় দেহাবশেষটি উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ পর্যালোচনা করে নিখোঁজ মুক্তার সন্ধানে সমন্বিত অভিযান চালানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্বিতীয় তলা থেকে দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পলাতক ও অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ, সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬) রয়েছেন।

অন্য পরিবারের নিহত ছয় সদস্য হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তাঁর কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তাঁরা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

নাফিস তেহামি ‘জেরিফ’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মৌলিতা মেহজাবিন আলভি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে জনসংখ্যা ও জনস্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করতেন। লায়লা জাহান নাবিলা ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

নাসরিন জাহান মুক্তা সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে ছুটি কাটাতে তিনি কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ছাত্রদলের ঢাকা জেলা শাখার সাবেক নেতা।

এর আগে তদন্ত কমিটির প্রধান কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান জানিয়েছিলেন, মুক্তার অবস্থান শনাক্ত করতে তাঁর মুঠোফোন নম্বরের তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি রিসোর্টের ভেতরে ছিলেন, নাকি বাইরে ছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিশেষ শাখা ও তদন্তকারী দল কাজ করছে।

এ ঘটনায় পুলিশ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। রিসোর্টের আরেক মালিক নেওয়াজ মোর্শেদও আত্মগোপনে রয়েছেন।

মুক্তার দেহাবশেষ হিসেবে ধারণা করা অংশটির পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, ১০ জনের মরদেহ হস্তান্তর

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মরদেহ তাঁদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। এ সময় নিহতদের স্বজন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। তবে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষক নাসরিন জাহান মুক্তার ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁর অবস্থান ও পরিণতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

মুক্তার সন্ধানে মঙ্গলবার আবারও সমন্বিত উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। দুপুর ২টার দিকে রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপের দ্বিতীয় তলা থেকে একটি দেহাবশেষ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। দেহাবশেষটির গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন দেখে সেটিকে স্ত্রী মুক্তার বলে শনাক্ত করার দাবি করেছেন তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার পরই দেহাবশেষটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আকতার জানান, ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মধ্যে মুক্তা ছিলেন না। এ কারণে তাঁর সন্ধানে নতুন করে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষটি মুক্তার বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরিচয় নিশ্চিত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল জানান, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ তিনি দেখেছেন। গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন দেখে সেটিকে স্ত্রীর মরদেহ বলে তাঁর ধারণা হয়েছে। তাঁর দাবি, অগ্নিকাণ্ডের সময় মুক্তা রিসোর্টের একটি কক্ষে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা দুই বান্ধবী আগুন লাগার আগে কক্ষ থেকে বের হতে পারলেও মুক্তা ভেতরে আটকা পড়েন। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

ফয়সালের ভাষ্য, সোমবার তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেও মুক্তার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাননি। পরে স্বজনদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। মঙ্গলবার প্রশাসনের উদ্ধার অভিযানের সময় দেহাবশেষটি উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, রিসোর্টের ধ্বংসস্তূপ পর্যালোচনা করে নিখোঁজ মুক্তার সন্ধানে সমন্বিত অভিযান চালানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্বিতীয় তলা থেকে দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পলাতক ও অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ, সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬) রয়েছেন।

অন্য পরিবারের নিহত ছয় সদস্য হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তাঁর কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তাঁরা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

নাফিস তেহামি ‘জেরিফ’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মৌলিতা মেহজাবিন আলভি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে জনসংখ্যা ও জনস্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করতেন। লায়লা জাহান নাবিলা ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

নাসরিন জাহান মুক্তা সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে ছুটি কাটাতে তিনি কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ছাত্রদলের ঢাকা জেলা শাখার সাবেক নেতা।

এর আগে তদন্ত কমিটির প্রধান কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান জানিয়েছিলেন, মুক্তার অবস্থান শনাক্ত করতে তাঁর মুঠোফোন নম্বরের তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি রিসোর্টের ভেতরে ছিলেন, নাকি বাইরে ছিলেন, তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিশেষ শাখা ও তদন্তকারী দল কাজ করছে।

এ ঘটনায় পুলিশ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। রিসোর্টের আরেক মালিক নেওয়াজ মোর্শেদও আত্মগোপনে রয়েছেন।

মুক্তার দেহাবশেষ হিসেবে ধারণা করা অংশটির পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।