ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছুটি শেষেও বিদেশে দুই কর্মকর্তা, নীরব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 241

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক যুগ্মসচিব ড. শেখ মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেডের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও যুগ্মসচিব মীর নাহিদ আহসান।

তাঁদের একজন যুক্তরাষ্ট্রে এবং অন্যজন কানাডায় রয়েছেন বলে বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, দুই কর্মকর্তার কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। মীর নাহিদ আহসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার উদ্যোগের কথাও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন রোববার গণমাধ্যমকে বলেন, যারা অনুপস্থিত রয়েছেন, চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নথি অনুযায়ী, ড. শেখ মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট একটি ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্ট (FAT)-এ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যান।

FAT শেষে প্রতিবেদন তৈরি করে ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁর কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট তাঁকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) সদস্য পদে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮৮ দিনের পূর্ণ গড় বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে ছুটিকে বহিঃবাংলাদেশ ছুটিতে রূপান্তরের আবেদন করেন। বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, তাঁর এই আবেদন অনুমোদনের আগেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২১ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে এনএসডিএতে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় ওই দিন অপরাহ্ন থেকে তাঁকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে আরও বলা হয়, এনএসডিএতে সদস্য পদ শূন্য না থাকায় সেখানে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া বা বেতন-ভাতা দেওয়া সম্ভব নয় বলে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল।

অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগের আইবাস তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শেখ মনিরুজ্জামান ওই বিভাগের বাজেট থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন না।

বিদ্যুৎ বিভাগ ২০২৫ সালের ২৮ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়ে তাঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে।

মীর নাহিদ আহসান ডেসকোর নির্বাহী পরিচালক থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর কানাডায় যান।

বিদ্যুৎ বিভাগের নথি অনুযায়ী, তাঁর জন্য ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত, অথবা ছুটি ভোগের তারিখ থেকে ২৫ দিনের বহিঃবাংলাদেশ অর্জিত ছুটি অনুমোদন করা হয়েছিল।

পরে তিনি ১৬ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ৩০ দিনের ছুটির জন্য আবেদন করেন। তবে ওই ছুটি অনুমোদিত না হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি বলে ডেসকো বিদ্যুৎ বিভাগকে জানায়।

২০২৫ সালের ২০ মার্চ ডেসকোর এক চিঠিতে বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো হয়।

এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মীর নাহিদ আহসানকে পরিচালক হিসেবে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোতে বদলিপূর্বক প্রেষণে পদায়ন করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কর্মস্থলেও তিনি যোগ দেননি।

বিদ্যুৎ বিভাগের ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে বলা হয়, অনুমোদিত ২৫ দিনের ছুটি শেষ হওয়ার পর তিনি অননুমোদিতভাবে ৬০ দিনের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরকারি আদেশ ও নির্দেশ অবজ্ঞা হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) ও ৩(গ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ আনার কথা বলা হয়।

ওই চিঠিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বলছেন, ছুটি শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সরকারি চাকরির শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ধরনের ঘটনায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত না হলে প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ভুল বার্তা যেতে পারে বলে তাঁদের মত।

তবে দুই কর্মকর্তার বর্তমান অবস্থান বা কর্মস্থলে না ফেরার কারণ সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বিষয়ে চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ আসলামও বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রোববার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, দুই কর্মকর্তার বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। আগামী ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করে সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ছুটি শেষেও বিদেশে দুই কর্মকর্তা, নীরব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি ছুটি শেষ হওয়ার পরও কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক যুগ্মসচিব ড. শেখ মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেডের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও যুগ্মসচিব মীর নাহিদ আহসান।

তাঁদের একজন যুক্তরাষ্ট্রে এবং অন্যজন কানাডায় রয়েছেন বলে বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, দুই কর্মকর্তার কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। মীর নাহিদ আহসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার উদ্যোগের কথাও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন রোববার গণমাধ্যমকে বলেন, যারা অনুপস্থিত রয়েছেন, চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের নথি অনুযায়ী, ড. শেখ মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট একটি ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্ট (FAT)-এ অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে যান।

FAT শেষে প্রতিবেদন তৈরি করে ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁর কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট তাঁকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) সদস্য পদে বদলির আদেশ দেওয়া হয়।

তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮৮ দিনের পূর্ণ গড় বেতনে ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে ছুটিকে বহিঃবাংলাদেশ ছুটিতে রূপান্তরের আবেদন করেন। বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে বলা হয়েছে, তাঁর এই আবেদন অনুমোদনের আগেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২১ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে এনএসডিএতে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় ওই দিন অপরাহ্ন থেকে তাঁকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের নথিতে আরও বলা হয়, এনএসডিএতে সদস্য পদ শূন্য না থাকায় সেখানে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া বা বেতন-ভাতা দেওয়া সম্ভব নয় বলে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল।

অন্যদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগের আইবাস তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শেখ মনিরুজ্জামান ওই বিভাগের বাজেট থেকে বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন না।

বিদ্যুৎ বিভাগ ২০২৫ সালের ২৮ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়ে তাঁর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে।

মীর নাহিদ আহসান ডেসকোর নির্বাহী পরিচালক থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর কানাডায় যান।

বিদ্যুৎ বিভাগের নথি অনুযায়ী, তাঁর জন্য ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত, অথবা ছুটি ভোগের তারিখ থেকে ২৫ দিনের বহিঃবাংলাদেশ অর্জিত ছুটি অনুমোদন করা হয়েছিল।

পরে তিনি ১৬ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ৩০ দিনের ছুটির জন্য আবেদন করেন। তবে ওই ছুটি অনুমোদিত না হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি বলে ডেসকো বিদ্যুৎ বিভাগকে জানায়।

২০২৫ সালের ২০ মার্চ ডেসকোর এক চিঠিতে বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো হয়।

এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মীর নাহিদ আহসানকে পরিচালক হিসেবে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোতে বদলিপূর্বক প্রেষণে পদায়ন করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই কর্মস্থলেও তিনি যোগ দেননি।

বিদ্যুৎ বিভাগের ২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে বলা হয়, অনুমোদিত ২৫ দিনের ছুটি শেষ হওয়ার পর তিনি অননুমোদিতভাবে ৬০ দিনের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরকারি আদেশ ও নির্দেশ অবজ্ঞা হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) ও ৩(গ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ আনার কথা বলা হয়।

ওই চিঠিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বলছেন, ছুটি শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সরকারি চাকরির শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ধরনের ঘটনায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্ত না হলে প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও ভুল বার্তা যেতে পারে বলে তাঁদের মত।

তবে দুই কর্মকর্তার বর্তমান অবস্থান বা কর্মস্থলে না ফেরার কারণ সম্পর্কে তাঁদের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বিষয়ে চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ আসলামও বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রোববার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, দুই কর্মকর্তার বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। আগামী ১৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করে সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।