বৃষ্টিতে চড়া সবজির বাজার, মাছ-ডিমেও স্বস্তি নেই
- সর্বশেষ আপডেট ১২:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 264
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীর বাজারে আবারও বেড়েছে সবজির দাম। সবজির পাশাপাশি মাছ ও ডিমের দামও বেড়েছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কয়েক ধরনের মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে প্রতি কেজি পটল ৮০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, ঝিঙা, ধুন্দুল ও চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, গোল বেগুন ১৪০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ও শসা ৮০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, কচু ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা এবং ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মালিবাগ বাজারে বাজার করতে আসা জাহিদ বলেন, প্রায় সব ধরনের সবজির দামই বেড়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এবার বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা তুলন বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। বর্তমানে বেগুনের দাম তুলনামূলক বেশি, আর পেঁপে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টি থেমে গেলে সবজির দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।
এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দামও বেড়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডজনপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা।
তবে ব্রয়লার মুরগির দাম আগের মতোই রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। সোনালি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংসও আগের দামেই প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে অবশ্য দাম বেড়েছে বেশ কয়েক ধরনের মাছের। বিক্রেতারা জানান, প্রকার ও আকারভেদে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।
বাজারে চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের দাম কেজিপ্রতি হাজার টাকার ওপরে। সাগরের বিভিন্ন মাছও মিলছে হাজার টাকার বেশি দামে।
কারওয়ান বাজারে মাছ কিনতে আসা সাহিদা বলেন, রুই, শিং ও ট্যাংরা মাছ কিনতে গিয়ে গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে।





























