ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর

ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 185

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর: ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে ঐতিহাসিক বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৫ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি করার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। মামলার বিষয়ে আদেশ পরে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

মামলায় ড. ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও সাবেক উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, শফিকুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, আক্তার হোসেন, মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভবনে প্রবেশ করেন। পরে বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় ঐতিহাসিক দলিলপত্র, স্মৃতিচিহ্নসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, আসামিদের উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও নির্দেশনার কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

তবে আদালত এখনো মামলাটি আমলে নেওয়া বা আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো পরোয়ানা জারির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেননি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর

ইউনূসসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে ঐতিহাসিক বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৫ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে মামলাটি করার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারীফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। মামলার বিষয়ে আদেশ পরে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

মামলায় ড. ইউনূস ও ড. আসিফ নজরুল ছাড়াও সাবেক উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, শফিকুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, আক্তার হোসেন, মো. হাসনাত আব্দুল্লাহ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, ডা. তাসনিম জারা, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, আরিফুল ইসলাম আদিব, সালেহ উদ্দিন সিফাত, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসাইন, কনক সারোয়ার, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, তাহরিমা জান্নাত সুরভী, মো. মিলন, ফাহিম আল চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভবনে প্রবেশ করেন। পরে বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় ঐতিহাসিক দলিলপত্র, স্মৃতিচিহ্নসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের দাবি, আসামিদের উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও নির্দেশনার কারণে এসব ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

তবে আদালত এখনো মামলাটি আমলে নেওয়া বা আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো পরোয়ানা জারির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেননি।