ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩২,৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • / 19

দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা শেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলে দিয়েছে আপিল বিভাগের রায়। এতে নিয়োগের পাশাপাশি আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক পদোন্নতির সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে মামলার কারণে আটকে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা নেই। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার পথ সুগম হয়েছে।

এদিন রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই)-এর ‘সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, আপিল বিভাগের রায়ের ফলে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা শিক্ষা খাতের জন্য ইতিবাচক খবর।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে দায়ের হওয়া মামলাটির নিষ্পত্তির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আদালতের সর্বশেষ রায়ের মাধ্যমে সেই জটিলতার অবসান হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে শিক্ষাখাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে। ভবিষ্যতে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

জানা যায়, ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাকরিকালের ৫০ শতাংশ গণনা করে জ্যেষ্ঠতার তালিকা, প্রধান শিক্ষক পদের স্কেল এবং বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধার দাবিতে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন।

পরে একই বিষয়ে আরও কয়েকটি রিট হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে আপিল করা হলে বিষয়টি আপিল বিভাগে যায়। বৃহস্পতিবার দেওয়া রায়ে সেই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ায় নিয়োগের সব আইনি বাধা দূর হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৩২,৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটল

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা শেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলে দিয়েছে আপিল বিভাগের রায়। এতে নিয়োগের পাশাপাশি আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক পদোন্নতির সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে মামলার কারণে আটকে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা নেই। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার পথ সুগম হয়েছে।

এদিন রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই)-এর ‘সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, আপিল বিভাগের রায়ের ফলে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা শিক্ষা খাতের জন্য ইতিবাচক খবর।

তিনি জানান, ২০১৭ সালে দায়ের হওয়া মামলাটির নিষ্পত্তির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। আদালতের সর্বশেষ রায়ের মাধ্যমে সেই জটিলতার অবসান হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে শিক্ষাখাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে। ভবিষ্যতে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অর্থের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

জানা যায়, ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাকরিকালের ৫০ শতাংশ গণনা করে জ্যেষ্ঠতার তালিকা, প্রধান শিক্ষক পদের স্কেল এবং বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধার দাবিতে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন।

পরে একই বিষয়ে আরও কয়েকটি রিট হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে আপিল করা হলে বিষয়টি আপিল বিভাগে যায়। বৃহস্পতিবার দেওয়া রায়ে সেই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হওয়ায় নিয়োগের সব আইনি বাধা দূর হয়েছে।