ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হলেও খনিজ আহরণে পিছিয়ে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 19

আন্তর্জাতিক রায় অনুযায়ী সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হলেও দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের খনিজ সম্পদ কাজে লাগানো যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নীতিগত দুর্বলতা ও বাস্তবায়নের ঘাটতিকে তিনি এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাজধানীর খিলক্ষেতে বানৌজায় নৌবাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের সামুদ্রিক সীমা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলেও অতীতে সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। তার ভাষায়, আগের সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ও সমন্বয়ের অভাবের কারণে সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনা অনেকটাই অনাবিষ্কৃত থেকে গেছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশ এখনো চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। এই বন্দরকে ঘিরে নৌচলাচল নিরাপদ ও কার্যকর করতে নানা উদ্যোগ চলছে, যদিও আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় সক্ষমতায় কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে।

সমুদ্রের জ্বালানি সম্ভাবনার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, অফশোর এলাকায় খনিজ ও জ্বালানি অনুসন্ধানকে এখন আর কেবল সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং তা বাস্তব সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার এই খাতে অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ষোল হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও কার্যকর হতে পারে। এজন্য হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি মন্তব্য করেন, সমুদ্র ও নৌপথকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হলেও খনিজ আহরণে পিছিয়ে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক রায় অনুযায়ী সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হলেও দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রের খনিজ সম্পদ কাজে লাগানো যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। নীতিগত দুর্বলতা ও বাস্তবায়নের ঘাটতিকে তিনি এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাজধানীর খিলক্ষেতে বানৌজায় নৌবাহিনী আয়োজিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের সামুদ্রিক সীমা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলেও অতীতে সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। তার ভাষায়, আগের সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ও সমন্বয়ের অভাবের কারণে সমুদ্রসম্পদের সম্ভাবনা অনেকটাই অনাবিষ্কৃত থেকে গেছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বড় অংশ এখনো চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। এই বন্দরকে ঘিরে নৌচলাচল নিরাপদ ও কার্যকর করতে নানা উদ্যোগ চলছে, যদিও আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় সক্ষমতায় কিছু ঘাটতি রয়ে গেছে।

সমুদ্রের জ্বালানি সম্ভাবনার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, অফশোর এলাকায় খনিজ ও জ্বালানি অনুসন্ধানকে এখন আর কেবল সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে না, বরং তা বাস্তব সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমান সরকার এই খাতে অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ষোল হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও কার্যকর হতে পারে। এজন্য হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।

বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি মন্তব্য করেন, সমুদ্র ও নৌপথকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে ধারাবাহিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।