ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেভাবে সরকারি লাইসেন্স নিয়ে ১৪দিনেই ব্যবসা শুরু করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 139

ব্যবসা শুরু করতে দীর্ঘসূত্রতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আগে একটি ব্যবসা চালু করতে প্রায় এক বছর সময় লাগলেও এখন সেই সময় কমিয়ে ১৪ দিনে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আদর্শ পরিস্থিতিতে কোনো প্রতিষ্ঠান ১৫তম দিনেই যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শোভন কাজের এজেন্ডা সমন্বয়’ বিষয়ক এক ডিব্রিফিং সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে সময়সীমা বাড়ানোর সুপারিশকে শুধু অতিরিক্ত সময় হিসেবে দেখলে হবে না। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের বহুমুখীকরণ এবং উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার জন্য দেশকে প্রস্তুত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন বাজেটে যে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে, তা কেবল নীতিগত ঘোষণা নয়; বরং সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের মতে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা স্বচ্ছতা, টেকসই উন্নয়ন, শ্রম অধিকার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা নতুন বাস্তবতায় পুনর্গঠিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় ঘটাতে পারলেই দেশগুলো দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে। বাংলাদেশও সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে।

দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তুলতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ‘দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ সেল’ গঠন করেছে বলেও জানান মন্ত্রী। তার ভাষ্য, এই সেল সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যেভাবে সরকারি লাইসেন্স নিয়ে ১৪দিনেই ব্যবসা শুরু করবেন

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১৩:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ব্যবসা শুরু করতে দীর্ঘসূত্রতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম শুরু করার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে লাইসেন্সিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আগে একটি ব্যবসা চালু করতে প্রায় এক বছর সময় লাগলেও এখন সেই সময় কমিয়ে ১৪ দিনে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আদর্শ পরিস্থিতিতে কোনো প্রতিষ্ঠান ১৫তম দিনেই যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শোভন কাজের এজেন্ডা সমন্বয়’ বিষয়ক এক ডিব্রিফিং সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে সময়সীমা বাড়ানোর সুপারিশকে শুধু অতিরিক্ত সময় হিসেবে দেখলে হবে না। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের বহুমুখীকরণ এবং উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার জন্য দেশকে প্রস্তুত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন বাজেটে যে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির কথা বলা হয়েছে, তা কেবল নীতিগত ঘোষণা নয়; বরং সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল ভিত্তি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের মতে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা স্বচ্ছতা, টেকসই উন্নয়ন, শ্রম অধিকার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা নতুন বাস্তবতায় পুনর্গঠিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় ঘটাতে পারলেই দেশগুলো দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে। বাংলাদেশও সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে।

দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তুলতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ‘দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ সেল’ গঠন করেছে বলেও জানান মন্ত্রী। তার ভাষ্য, এই সেল সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।