ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ ১০ হাসপাতালে আইসিইউ উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • / 17

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের প্রান্তিক ও জেলা পর্যায়ের সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে আজ রোববার (১৪ জুন) একযোগে জরুরি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। সরকারের বিশেষ ‘জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি’ (ইআরপিপি) প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট আওতায় এই অত্যাধুনিক আইসিইউ ইউনিটগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

আজ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১০টি হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।

যেসব জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালে আজ থেকে নতুন এই আইসিইউ সুবিধা চালু হতে যাচ্ছে, সেগুলো হলো— মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল এবং বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও এর সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, নতুন চালু হওয়া প্রতিটি আইসিইউ ইউনিটের জন্য অতি প্রয়োজনীয় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর (শিশুদের কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার যন্ত্র) এবং আধুনিক অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ করার কাজ ইতিমধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসাসেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে এসব ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও কারিগরি জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জেলা পর্যায়ে এখন থেকে শুধু প্রাপ্তবয়স্করাই নন, বরং জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীদের জন্যও অত্যন্ত উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউ ইউনিটগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার ফলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে এক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এখন থেকে জটিল ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ বা নিবিড় চিকিৎসার জন্য আর কষ্ট করে রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্যান্য বড় শহরের নামী দামী হাসপাতালের দিকে ছুটতে হবে না। স্থানীয় হাসপাতালেই রোগীরা তাৎক্ষণিকভাবে এই জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী আধুনিক সেবা পাবেন, যা উন্নত চিকিৎসার খরচ ও সময়—উভয়ই সাশ্রয় করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আজ ১০ হাসপাতালে আইসিইউ উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৩:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দেশের প্রান্তিক ও জেলা পর্যায়ের সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে আজ রোববার (১৪ জুন) একযোগে জরুরি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। সরকারের বিশেষ ‘জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি’ (ইআরপিপি) প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট আওতায় এই অত্যাধুনিক আইসিইউ ইউনিটগুলো স্থাপন করা হয়েছে।

আজ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১০টি হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।

যেসব জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালে আজ থেকে নতুন এই আইসিইউ সুবিধা চালু হতে যাচ্ছে, সেগুলো হলো— মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল এবং বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও এর সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, নতুন চালু হওয়া প্রতিটি আইসিইউ ইউনিটের জন্য অতি প্রয়োজনীয় পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর (শিশুদের কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার যন্ত্র) এবং আধুনিক অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ করার কাজ ইতিমধ্যেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসাসেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে এসব ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও কারিগরি জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জেলা পর্যায়ে এখন থেকে শুধু প্রাপ্তবয়স্করাই নন, বরং জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীদের জন্যও অত্যন্ত উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা পুরোপুরি সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউ ইউনিটগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার ফলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে এক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এখন থেকে জটিল ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ বা নিবিড় চিকিৎসার জন্য আর কষ্ট করে রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্যান্য বড় শহরের নামী দামী হাসপাতালের দিকে ছুটতে হবে না। স্থানীয় হাসপাতালেই রোগীরা তাৎক্ষণিকভাবে এই জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী আধুনিক সেবা পাবেন, যা উন্নত চিকিৎসার খরচ ও সময়—উভয়ই সাশ্রয় করবে।