ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু অর্থায়নে জাতিসংঘের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 12

জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের

জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ঝুঁকি মোকাবিলায় জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রক্রিয়াটিকে টেকসই ও মসৃণ করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর কাছে অধিকতর ও জোরালো সহায়তা কামনা করেছে বাংলাদেশ।

গত বুধবার (১০ জুন) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ এবং ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক অধিবেশনে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই আহ্বান জানানো হয়। অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এই আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট দাবি ও প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরেন।

অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল এবং অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক শাসনের সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির বিশেষ ‘ব্যালট (BALLOT) প্রকল্প’-এর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধান প্রধান অগ্রাধিকারগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা, বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এই সব জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ইউএনডিপির চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা ও কারিগরি অংশীদারিত্ব আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি জোরদার হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান এবং চরম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বমঞ্চে বলেন যে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)-সহ বিভিন্ন বড় বড় আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার আরও সহজ ও বৃদ্ধি করতে হবে। এই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা সম্প্রসারণের জন্য তিনি ইউএনডিপির প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জলবায়ু অর্থায়নে জাতিসংঘের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ঝুঁকি মোকাবিলায় জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রক্রিয়াটিকে টেকসই ও মসৃণ করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর কাছে অধিকতর ও জোরালো সহায়তা কামনা করেছে বাংলাদেশ।

গত বুধবার (১০ জুন) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ এবং ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের বার্ষিক অধিবেশনে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই আহ্বান জানানো হয়। অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এই আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট দাবি ও প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরেন।

অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী উল্লেখ করেন যে, চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল এবং অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক শাসনের সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এই গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সাধারণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউএনডিপির বিশেষ ‘ব্যালট (BALLOT) প্রকল্প’-এর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাষ্ট্রদূত নোমান চৌধুরী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধান প্রধান অগ্রাধিকারগুলো পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা, বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এই সব জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ইউএনডিপির চলমান উন্নয়ন সহযোগিতা ও কারিগরি অংশীদারিত্ব আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি জোরদার হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশকে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান এবং চরম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বমঞ্চে বলেন যে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ)-সহ বিভিন্ন বড় বড় আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার আরও সহজ ও বৃদ্ধি করতে হবে। এই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা সম্প্রসারণের জন্য তিনি ইউএনডিপির প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।